ইসরায়েল যুদ্ধেই প্রথমবারের মত ‘সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র’ ব্যবহার করেছে ইরান। এটি ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে তেল আবিবের দূরত্ব মাত্র সাত মিনিটে পাড়ি দিতে পারে।
বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সেজিল হলো একটি মাঝারি পাল্লার সারফেস-টু-সারফেস ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।
ইরানি সংবাদমাধ্যম প্রেসটিভি জানিয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র “ড্যান্সিং মিসাইল” নামেও পরিচিত। চলমান যুদ্ধে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার পর এই প্রথম সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল ইরান।
উচ্চ আকাশে গতিপথ পরিবর্তনের সক্ষমতার কারণে এই ক্ষেপণাস্ত্রকে “ড্যান্সিং মিসাইল” বলা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষমতার ফলে এটি ইসরায়েলের আয়রন ডোমের মতো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়ার সক্ষমতা রাখে।
রবিবার ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানের লক্ষ্যবস্তুতে ৫৪টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করার কথা ঘোষণা করেছে ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) জনসংযোগ বিভাগ।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলায় খোররামশাহর সুপার-হেভি মিসাইল যেটি দ্বৈত ওয়ারহেডের, খায়বার-শাখান, কদর, এমাদ এবং প্রথমবারের মতো অপারেশন সাদেক প্রমিজ এ চারটি কৌশলগত জ্বালানি চালিত সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে আসা আরেক দফার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত করেছে। আগের দফার হামলার খবর আসার দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে এই নতুন হামলাটি চালানো হয়।

