রাশিয়ার আগ্রাসন বন্ধে একমত হওয়ার জন্য মার্চ মাসে কিয়েভে জাতীয় নির্বাচন ও শান্তি চুক্তির ওপর গণভোট অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছেন।
আলোচনায় ইউক্রেন ও ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন বল জানিয়েছেন বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউক্রেনীয় আলোচকদের দ্বারা আলোচিত কাঠামোর অধীনে যেকোনো চুক্তি ইউক্রেনীয় ভোটারদের দ্বারা গণভোটের জন্য জমা দেওয়া হবে। যারা একই সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিবেন।
যদিও ভূখণ্ডের মূল ইস্যুতে চুক্তি না হওয়ায় মস্কো যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের নেতৃত্বে মার্কিন আলোচক দল আবুধাবি এবং মায়ামিতে সাম্প্রতিক বৈঠকে ইউক্রেনীয় প্রতিপক্ষদের কাছে জানিয়েছেন, ভোটটি শিগগিরই হলেই ভালো হবে।
মার্কিন আলোচকরা বলেছেন, নভেম্বরের কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আরও বেশি মনোযোগ দিবেন। যার অর্থ হল শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তাদের সময় এবং রাজনৈতিক পুঁজি কম থাকবে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আবুধাবিতে ৩১৪ জন যুদ্ধবন্দীর মুক্তি এবং শিগগিরই আলোচনা পুনরায় শুরু করার প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে মার্কিন-মধ্যস্থতায় দ্বিতীয় দফা আলোচনা শেষ হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছে, পরবর্তী ত্রিপক্ষীয় বৈঠক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

