যুদ্ধের ছায়া বিশ্বকাপে, তবু ‘বিশাল উৎসব’ দেখছেন ইনফান্তিনো

0
যুদ্ধের ছায়া বিশ্বকাপে, তবু ‘বিশাল উৎসব’ দেখছেন ইনফান্তিনো

ফিফার সভাপতি ইনফান্তিনো বলেন, বিশ্ব রাজনীতির অস্থিরতার মধ্যেও ২০২৬ সালের ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ‘বিশ্ব উৎসব’।

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা যৌথভাবে আয়োজিত এই বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও যুদ্ধ পরিস্থিতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। একদিকে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত এবং তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা, অন্যদিকে রেকর্ডসংখ্যক টিকিট আবেদন সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ঘিরে তৈরি হয়েছে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য।

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ইতিমধ্যে ফুটবল সূচিতে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। ইরাক ফুটবল এসোসিয়েশন সম্প্রতি মেক্সিকোতে নির্ধারিত তাদের ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্লে–অফ ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। আকাশপথ বন্ধ থাকা ও ভিসা জটিলতার কারণে এই আবেদন করা হয়েছে, যা সরাসরি ইরান–যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা সংকটের প্রভাব বলে মনে করা হচ্ছে।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো অবশ্য ভূরাজনৈতিক সংকটকে তেমন গুরুত্ব দেননি। বরং তিনি জোর দিয়েছেন বাণিজ্যিক সাফল্যের দিকে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মাত্র চার সপ্তাহেই বিশ্বকাপের টিকিটের জন্য ৫০০ মিলিয়নের বেশি আবেদন জমা পড়েছে।

১০৪টি ম্যাচের মধ্যে ৭৭টি ম্যাচের প্রতিটির জন্যই ১০ লাখের বেশি আবেদন পড়েছে বলে জানান তিনি।

ইনফান্তিনো বলেন,‘একসময় বলা হতো যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের খুব একটা জনপ্রিয়তা নেই। কিন্তু সেই ধারণা বদলে গেছে। ৪৮টি দল, ১০৪টি ম্যাচ, ১৬টি শহর ও তিনটি দেশ নিয়ে এটিই হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ। এটি শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, এটি একটি সামাজিক আয়োজন যার জন্য গোটা বিশ্ব থমকে দাঁড়াবে।’

তবে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগও কম নয়। বিশেষ করে ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট  ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেছেন। রাজনৈতিক সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান অংশ নিল কি না, তাতে তার কিছু যায় আসে না। তিনি দেশটিকে ‘পরাজিত’ বলেও মন্তব্য করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here