ওল্ড ট্রাফোর্ডে ডাগআউটে মাইকেল ক্যারিকের প্রত্যাবর্তন হলো রূপকথার মতো। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম ম্যাচেই পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটিকে হারিয়ে চমক দেখালেন সাবেক এই মিডফিল্ডার। ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ২-০ ব্যবধানের জয়ে ঘরের মাঠে আবারও নিজেদের আধিপত্যের বার্তা দিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধের দুই গোলে জয় নিশ্চিত করে রেড ডেভিলরা। ৬৫ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন ব্রুনো ফের্নান্দেসের থ্রু বল থেকে ব্রুনো এমবেউমো। ৭৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন প্যাট্রিক দরগু।
ম্যাচে বলের দখলে পিছিয়ে থাকলেও আক্রমণে কার্যকর ছিল ইউনাইটেড। ১০টি শটের ৭টিই লক্ষ্যে রাখে স্বাগতিকরা। বিপরীতে সিটির ৭টি শটের একটিও লক্ষ্যে ছিল না। ইউনাইটেডের দুটি শট পোস্ট ও ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে, অফসাইডের কারণে বাতিল হয় আরও তিনটি গোল।
সিটির জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায় আর্লিং হলান্ডের চোট। অস্বস্তি নিয়ে খেলা এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারকে ৮০ মিনিটে মাঠ থেকে তুলে নেন গার্দিওলা।
এই জয়ে ২২ ম্যাচে ৯ জয় ও ৮ ড্রয়ে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের চারে উঠে এসেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। লিভারপুলের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেললেও তাদের পেছনে ফেলেছে ক্যারিকের দল। অন্যদিকে ২২ ম্যাচে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানেই থাকল ম্যানচেস্টার সিটি, শীর্ষে থাকা আর্সেনালের সঙ্গে ব্যবধান আরও বাড়ল।
কোচ পরিবর্তনের পর কঠিন সময় পার করছিল ইউনাইটেড। লিডসের বিপক্ষে ড্রয়ের পর বরখাস্ত হন রুবেন আমোরিম। এরপর ড্যারেন ফ্লেচারের তত্ত্বাবধানে দুটি ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার পর ক্যারিকের অধীনে এসে জয়ের স্বাদ পেল দলটি।
প্রথমার্ধেই একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিল ইউনাইটেড। ব্রুনো ফের্নান্দেসের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে, অফসাইডে বাতিল হয় আমাদ দিয়ালো ও ফের্নান্দেসের গোল। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিআক্রমণের দক্ষতায় সিটিকে ধরাশায়ী করে রেড ডেভিলরা।

