সুপার এইটের ভারতের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয়ের পর সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা। এই জয়ের মধ্যে দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এক দিয়ে রাখলো তারা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতের আহমেদাবাদে গ্রুপ ওয়ানের ম্যাচে ক্যারিবীয়দের দেওয়া ১৭৭ রানের জবাবে জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৬.১ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় এইডেন মার্করামের দল।
এদিন রান তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিল প্রোটিয়ারা। অধিনায়ক মার্করাম ও কুইন্টন ডি কক মিলেই ওপেনিং জুটিতে তুলে নেন ৯৫ রান। ২৪ বলে ৪ ছক্কা ও ৪ চারের মারে ৪৭ রান করে ইনিংসের অষ্টম ওভারে আউট হন ডি কক। অপরপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ফিফটি তুলে নেন মার্করাম। দ্বিতীয় উইকেটে রায়ান রিকেলটনের সঙ্গে ৮১ রানের জুটি গড়ে নিশ্চিত করেন দলের জয়। ৪৬ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৮২ রানে অপরাজিত থাকেন মার্করাম। ২৮ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন রিকেলটন। ক্যারিবীয়দের হয়ে ৪৬ রান খরচায় একমাত্র উইকেট শিকারি রস্টন চেজ।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে জেসন হোল্ডার ও রোমারিও শেফার্ডের নৈপুণ্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান সংগ্রহ করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এদিন শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল তারা। স্কোরকার্ডে ৮৩ রান যোগ করতে তারা হারিয়েছিল ৭ উইকেট। তাতে শতরানের পুঁজি তোলা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। তবে অষ্টম উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন শেফার্ড ও হোল্ডার। দুজনের জটিতে আসে ৮৯ রান।
ইনিংস শেষের আগের বলে আউট হওয়ার আগে ৩১ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৯ রান করেছিলেন হোল্ডার। অন্যদিকে ৩৭ বলে ৪ ছক্কা ও ৩ চারের মারে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন শেফার্ড। প্রোটিয়াদের হয়ে ৩০ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট তুলে নেন লুঙ্গি এনগিদি। এছাড়া কাগিসো রাবাদা ২২ রানের বিনিময়ে ২ আর করবিন বোশ ৩১ রান খরচায় ২ উইকেট নেন।
এর আগে সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক ভারতকে ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বড় কোনো নাটকীয়তা না ঘটলে শেষ ম্যাচে হারলেও তাদের বাদ পড়ার সুযোগ নেই।

