মাঠের সংকট কাটাতে সরকারের নতুন পরিকল্পনা

0
মাঠের সংকট কাটাতে সরকারের নতুন পরিকল্পনা

রাজধানীতে খেলার মাঠের সংকট কাটাতে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, ঢাকা দুই সিটি কর্পোরেশনে দুটি বড় মাঠ তৈরির পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে ফুটসাল খেলার সুবিধা নিশ্চিত করা হবে, যেন সব বয়সের মানুষ সহজেই খেলার সুযোগ পায়।

শনিবার সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সারাদেশের শহর ও গ্রাম অঞ্চলে খেলার মাঠ নির্ধারণ, উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান।

সভায় প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ঢাকা মহানগরের খেলার মাঠের তীব্র সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, মাঠের জায়গা খুঁজে বের করতে প্রয়োজনে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করা হবে। যেখানে পর্যাপ্ত জায়গা নেই, সেখানে অন্তত দুটি ওয়ার্ডের মাঝখানে একটি খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেয়া হবে। যদি তাতেও জায়গা পাওয়া না যায়, তবে তিনটি ওয়ার্ডের সমন্বয়ে একটি বড় খেলার মাঠের স্থান নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া বর্তমান প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় ফুটসাল খেলার প্রসারে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে ডেডিকেটেড ফুটসাল মাঠ তৈরি করার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী ।

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে বড় পরিসরে দুটি খেলার মাঠের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিটি কর্পোরেশন, গণপূর্ত বিভাগ এবং বিভিন্ন স্কুলের অধীনে থাকা খালি জায়গাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সেগুলো শিশুদের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিটি এলাকায় শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার সুযোগ নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। মাঠগুলোকে শুধু খেলার জন্য নয়, বরং সব বয়সী মানুষের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। মাঠের চারপাশে সুন্দর ওয়াকওয়ে বা হাঁটার রাস্তা তৈরি করা হবে যেন বয়োজ্যেষ্ঠরা নিরাপদ পরিবেশে সকালে ও বিকেলে হাঁটাচলা করতে পারেন।

সভায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পরামর্শে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি এবং উপজেলা সদরে একটি করে খেলার মাঠ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, মাঠটি যেন ইউনিয়নের কোনো প্রান্তে না হয়ে জনপদ ও যাতায়াতের সুবিধার কথা চিন্তা করে মাঝামাঝি স্থানে হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। মাঠ নির্বাচনে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা ব্যক্তিগত তদবিরকে প্রশ্রয় না দিয়ে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী সহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here