মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ৫০০ ফ্লাইট

0
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ৫০০ ফ্লাইট

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত মাসের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ (০০০০ এলটি পরবর্তী সময় পর্যন্ত) মোট ৫০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ৩২টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি, ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি, ১৩ মার্চ ২৫টি ও ১৪ মার্চ ২৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এ ছাড়া ১৫ মার্চ (০০০০ এলটি-এর পর) আরও ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে Kuwait Airways-এর ২টি, Air Arabia-এর ২টি, Gulf Air-এর ২টি, Qatar Airways-এর ৪টি, Emirates-এর ২টি, Jazeera Airways-এর ৪টি, Flydubai-এর ৪টি, Biman Bangladesh Airlines-এর ১টি এবং US-Bangla Airlines-এর ২টি ফ্লাইট।

অন্যদিকে একই সময়ে সীমিত আকারে কিছু মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট পরিচালনাও করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত মোট ৫৩৯টি ফ্লাইট পরিচালিত বা পরিকল্পিত রয়েছে।

এর মধ্যে মাসকাটগামী ফ্লাইট রয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি ১টি, ১ মার্চ ৪টি, ২ মার্চ ৫টি, ৩ মার্চ ৭টি, ৪ মার্চ ৮টি, ৫ মার্চ ১০টি, ৬ মার্চ ৬টি, ৭ মার্চ ৬টি, ৮ মার্চ ৬টি, ৯ মার্চ ৬টি, ১০ মার্চ ১০টি, ১১ মার্চ ৮টি, ১২ মার্চ ৯টি, ১৩ মার্চ ৩টি, ১৪ মার্চ ৬টি এবং ১৫ মার্চ (পরিকল্পিত) ৬টি।

সৌদি আরবগামী ফ্লাইট রয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি ৫টি, ১ মার্চ ১৬টি, ২ মার্চ ১৩টি, ৩ মার্চ ১৫টি, ৪ মার্চ ২১টি, ৫ মার্চ ২২টি, ৬ মার্চ ১৫টি, ৭ মার্চ ১৮টি, ৮ মার্চ ১৬টি, ৯ মার্চ ২২টি, ১০ মার্চ ২০টি, ১১ মার্চ ১৮টি, ১২ মার্চ ২৩টি, ১৩ মার্চ ১৫টি, ১৪ মার্চ ১৮টি এবং ১৫ মার্চ (পরিকল্পিত) ২১টি।

এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ফ্লাইটের মধ্যে বিভিন্ন দিনে দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহগামী ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। ১৫ মার্চ (পরিকল্পিত) দিনে ইউএইগামী মোট ২২টি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ফ্লাইট পরিচালনা ও বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফ্লাইট চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here