মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা পাঠানো নিয়ে যা জানা গেল

0
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা পাঠানো নিয়ে যা জানা গেল

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে আরও যুদ্ধজাহাজ এবং কয়েক হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

গতকাল শুক্রবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিন মার্কিন কর্মকর্তা ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে একথা জানিয়েছেন।

শীর্ষ মার্কিন রাজনৈতিক পত্রিকা ‘দ্য হিল’ জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি খবরে বলা হয়েছে যে, উভচর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস বক্সারে করে কমপক্ষে ২,২০০ মেরিন বা নৌসেনা নিয়ে গঠিত ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট (এমইইউ) বুধবার সান ডিয়াগো থেকে নির্ধারিত সময়ের আগেই রওনা হয়ে গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরেও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগে যাত্রা করেছে। বাড়তি এই সেনারা রওনা হওয়ার কিছুদিন আগেই জাপান-ভিত্তিক উভচর যান ইউএসএস-ত্রিপোলিতে করে মধ্যপ্রাচ্যের পথে অগ্রসর হয়েছিল প্রায় ২,২০০ নৌসেনা ও নাবিকের আরেকটি এক্সপেডিশনারি ইউনিট (এমইইউ)। সেটি ছিল ৩১ তম এমইইউ।

এর এক সপ্তাহ না পেরোতেই ১১ তম এমইইউ সেনাদের রওনা হওয়ার ওই খবর এল। তবে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে আরও সেনা পাঠানোর কথা অস্বীকার করেছেন।

বৃহস্পতিবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমি কোথাও কোনও সেনা পাঠাচ্ছি না। তবে আমি যদি তা করিও, সেটি আমি সাংবাদিকদের বলব না।” 

ওদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনও অভিযানের নিরাপত্তাজনিত কারণে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

রয়টার্স জানায়, ইরান যুদ্ধে শুরু থেকে অবরুদ্ধ হয়ে থাকা হরমুজ প্রণালি সচল করতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র যতটা বেশি সম্ভব সেনা ও সাজ সরঞ্জাম মোতায়েনের কথা বিবেচনা করছে, যাতে অঞ্চলটিতে অভিযানের সক্ষমতা বাড়ে।

অভিযানের পরিধি বাড়ানো নিয়ে চিন্তাভাবনা করা ট্রাম্পের জন্য এই বাড়তি সেনা মোতায়েন বেশ কিছু বিকল্প পথ খুলে দেবে। এই সব বিকল্পের মধ্যে আছে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া তেল ট্যাংকারগুলোর জন্য নিরাপদ পথ করে দেওয়া।

এই অভিযান প্রাথমিকভাবে আকাশ ও নৌবাহিনী সম্পন্ন করবে। তবে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বিধান করা মানে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় মার্কিন সেনা মোতায়েনও বোঝাতে পারে বলে জানিয়েছেন দুই মার্কিন কর্মকর্তাসহ ৪ সূত্র।

এ ছাড়া ইরানের খারক দ্বীপেও সেনা পাঠানো নিয়ে আলোচনা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। পারস্য উপসাগরের এই দ্বীপ থেকে ইরানের মোট ৯০ শতাংশ অশোধিত তেল রপ্তানি হয়।

তবে এই দ্বীপে সেনা অভিযান খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হবে বলে জানিয়েছেন একজন কর্মকর্তা। কারণ, দ্বীপটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা আছে ইরানের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here