ভেজানো কিশমিশেই মিলতে পারে হজমের স্বস্তি

0
ভেজানো কিশমিশেই মিলতে পারে হজমের স্বস্তি

ভারী খাবার খেলেই গ্যাস, অম্বল বা বুক জ্বালার সমস্যা এমন অভিযোগ এখন অনেকেরই নিত্যদিনের সঙ্গী। হজমের গোলমালে রাতের ঘুম নষ্ট হওয়া থেকে শুরু করে পরদিন ক্লান্তি, সব মিলিয়ে ভোগান্তির শেষ নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্যার সহজ সমাধান লুকিয়ে থাকতে পারে ভেজানো কিশমিশে।

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন সকালে রাতভর ভিজিয়ে রাখা কিশমিশ খেলে শরীরের নানা উপকার মিলতে পারে। নিয়মিত এই অভ্যাস হজমশক্তি উন্নত করা থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়ক।

হজমে সহায়ক

কিশমিশে রয়েছে পর্যাপ্ত ডায়েটারি ফাইবার, যা হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য কমানো এবং পেট পরিষ্কার রাখতে এটি কার্যকর। ফলে গ্যাস, অম্বল ও বুক জ্বালার মতো সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।

সারাদিনের শক্তি

কিশমিশে থাকা প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ দ্রুত শক্তি জোগায়। সকালে এটি খেলে অতিরিক্ত চা-কফি বা চিনি নির্ভরতা কমতে পারে। দিনের মাঝামাঝি ক্লান্তিও তুলনামূলক কম অনুভূত হয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ কিশমিশ শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। নিয়মিত সেবনে সর্দি-কাশি ও সাধারণ সংক্রমণের ঝুঁকি কমতে পারে।

হাড় মজবুত রাখতে ভূমিকা

কিশমিশে থাকা ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের গঠন শক্ত রাখতে সাহায্য করে। বয়সজনিত হাড়ক্ষয় ও জয়েন্টের ব্যথা কমাতেও এটি সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

হৃদযন্ত্রের যত্নে

নিয়মিত কিশমিশ খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এতে হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা বা বুক ধড়ফড়ের ঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে।

যেভাবে খাবেন

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, রাতে শোয়ার আগে এক বাটি পরিষ্কার পানিতে ৮-১০টি কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে পানি ঝরিয়ে ফুলে ওঠা কিশমিশ খেয়ে নিন। নিয়মিত এই অভ্যাস হালকা পেট, বাড়তি এনার্জি ও সামগ্রিক সুস্থতায় ভূমিকা রাখতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here