আগামী মার্সের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ভারত ও শ্রীলঙ্কা। সবশেষ এই সংস্করণে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এবারও শিরোপা জয়ের দৌড়ে নিজের পছন্দের দল হিসেবে বর্তমান চ্যাম্য়িানদের এগিয়ে রাখছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ।
ডারবানে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের চ্যাম্পিয়ান হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করেছেন তিনি। গ্রায়েম স্মিথ মনে করেন, স্বাগতিক হওয়ার সুবিধা ও বিপুল প্রতিভার কারণে ভারতকে শিরোপার অন্যতম প্রধান দাবিদার মনে করছেন। যদিও নিজের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকাকেই এবার সরাসরি ফেভারিট হিসেবে রাখেননি তিনি।
স্মিথ বলেন, ভারতকে কখনোই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। তার মতে, ঘরের মাঠে খেলা এবং বর্তমান দলটির প্রতিভা ভারতের জন্য বড় শক্তি হয়ে উঠবে। ভারতীয় দলের বর্তমান রূপান্তর প্রক্রিয়াকেও তিনি বেশ আগ্রহ নিয়ে দেখছেন। সেই সাথে বেশ কয়েক দশক ধরে দলটির ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন তিনি।
হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া বক্তব্যে স্মিথ বলেন, ভারতের প্রতিভা বিবেচনায় তাদের কখনোই বাদ দেওয়া যায় না। এটা তাদের ঘরের বিশ্বকাপ। গৌতম গম্ভীরের অধীনে দলটি একটা রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে—সিনিয়র খেলোয়াড়দের পরবর্তী ধাপ, নতুনদের দায়িত্ব নেওয়া—সব মিলিয়ে বিষয়টা বেশ আকর্ষণীয়। প্রতিভার দিক থেকে বললে, ভারত যদি অন্তত শেষ চার দলে না থাকে, তাহলে আমি খুবই বিস্মিত হব।’
২০২৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র সাত রানে হারের স্মৃতি এখনও তাকে তাড়া করে ফেরে। তিনি মনে করেন, বর্তমান প্রোটিয়া দল উপমহাদেশের কন্ডিশনে, বিশেষ করে স্পিন সামলাতে সক্ষম—যা ভারত ও শ্রীলঙ্কার উইকেটে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
ফাইনাল নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথাও খোলাখুলি বলেছেন স্মিথ। বললেন, অবশ্যই চাইব আমরা যেন ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে জিতে যাই (হাসি)। শুকরি কনরাড আর দল যদি সঠিক কম্বিনেশন খুঁজে পায়, তাহলে এই দল অনেক দূর যেতে পারে। মাঝের ওভারে স্পিন খেলার মতো যথেষ্ট দক্ষতা আছে বলেই আমি মনে করি। আশা করছি সামনে একটা দারুণ বিশ্বকাপ অপেক্ষা করছে।
উল্লেখ্য, ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোর জন্য আহমেদাবাদ, দিল্লি, কলকাতা, চেন্নাই ও মুম্বাইকে ভেন্যু হিসেবে চূড়ান্ত করেছে আইসিসি। শ্রীলঙ্কায় খেলা হবে তিনটি ভেন্যুতে। এর মধ্যে দুটি কলম্বো ও পাল্লেকেল্লে।

