ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দোকানের সিঁড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের কোদালের আঘাতে ইকবাল হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইকবাল হোসেন কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত কান্দার আলীর ছেলে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ফয়সাল আহমেদ (২০) ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শিমরাইল গ্রামের মধ্যপাড়া বাজারে নিজের দোকানের সামনে সিঁড়ি নির্মাণ করছিলেন ইকবাল হোসেন। এ সময় একই গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে ফয়সাল মিয়া ও তার লোকজনের সঙ্গে সিঁড়ি নির্মাণ নিয়ে কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাজারের নাছির মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, এ সময় ফয়সাল মিয়া হাতে থাকা কোদাল দিয়ে ইকবাল হোসেনকে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। ঢাকায় নেওয়ার পথে সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের মরদেহ বাড়িতে আনার পর বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দোকানের সিঁড়ি নির্মাণ নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

