সেমিফাইনালে চার-ছক্কার ম্যাচে মাত্র ৭ রানে হেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে জয়ের পর জসপ্রীত বুমরাহর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সতীর্থরা।
এবার তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন সেমিফাইনালে অসাধারণ দুটি ক্যাচ নিয়ে জয়ে ভূমিকা রাখা অক্ষর প্যাটেল। গতকাল ওয়াংখেড়ে চার-ছক্কার বৃষ্টিতে দুই দল মিলিয়ে করে ৪৯৯ রান। ভারতের ২৫৩ রানের জবাবে ইংল্যান্ড করে ২৪৬। এমন এক হাইস্কোরিং ম্যাচেও ৪ ওভারে মোটে ৩৩ রান খরচ করে বুমরাহ নিয়েছেন একটি উইকেট। দুই দলের বোলারদের মধ্যে তার ইকোনমি (৮.২৫) রেটই ছিল সবচেয়ে কম।
শেষদিকে যখন ইংল্যান্ডের রানরেট দ্রুত বাড়ছিল, তখনও তিনি নিখুঁত লাইন-লেংথে বল করে ব্যাটারদের চাপে রাখেন।১৬ ও ১৮তম ওভারে বল হাতে নিয়ে মাত্র ১৪ রান দিয়ে ভারতের দিকে ম্যাচ টেনে আনেন।
ভারতের অন্যতম বৃহত্তম স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম জিওহটস্টারে কথা বলতে গিয়ে অক্ষর বলেন, আমরা জানতাম জসপ্রীত বুমরাহর শেষ দুটি ওভার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। এই উইকেটে ভুলের ব্যবধান খুবই কম ছিল। চাপের মধ্যে বুমরাহর নির্ভুল ইয়র্কার দেখানো থেকেই বোঝা যায়, কেন তাকে ‘ইয়র্কার কিং’ বলা হয়।
অক্ষর বলেন, সে (বুমরাহ) ঠিক জানে কীভাবে কঠিন পরিস্থিতি থেকে দলকে বের করে আনতে হয়। এমন উইকেটে এমন পারফর্ম করা পুরো দলকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। সবাই জয়ের জন্য অবদান রেখেছে। ফাইনালে যাওয়ায় পুরো টিম উত্তেজিত।
এদিকে ম্যাচে ভারতের অন্যতম এই অলরাউন্ডার তার ফিল্ডিং সম্পর্কেও কথা বলেছেন। যার মধ্যে তার নেওয়া দুটি ক্যাচ নিয়ে কথা বলেছেন। অক্ষরের মতে, বোলারদের জন্য এটি খুবই কঠিন উইকেট ছিল, তাই একজন ফিল্ডার হিসেবে ক্যাচ নেওয়া বা রান বাঁচানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রথম ক্যাচটি আমার প্রিয় ক্যাচগুলোর মধ্যে একটি ছিল। আমি পিছনের দিকে দৌড়াচ্ছিলাম, যা সবসময় কঠিন কারণ আপনার দৃষ্টিশক্তি কিছুটা অস্থির হতে পারে। শেষ মুহূর্তে, ক্যাচ শেষ করার আগে আমি একটি সংক্ষিপ্ত বিরতি নিয়েছিলাম এবং এটি আমাকে বলটি আরও ভালোভাবে বিচার করতে সাহায্য করেছিল।
দ্বিতীয় ক্যাচটি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এসেছিল যখন অংশীদারিত্ব তৈরি হচ্ছিল। প্রাথমিকভাবে আমি অনুভব করেছি, বলটি আমার বাইরে চলে যেতে পারে, কিন্তু তারপর আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে আমি এটিতে পৌঁছাতে পারব। শিবমকেও কৃতিত্ব দেওয়া হয় কারণ আমরা সেই মুহুর্তে ভালোভাবে পরিস্থিতি সামল দিয়েছি। এই পরিস্থিতিতে এক সেকেন্ডের মধ্যে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয় এবং চাপের মধ্যে শান্ত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

