টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে বড় ধাক্কা খেল অস্ট্রেলিয়া। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে গেছেন অভিজ্ঞ পেসার জশ হ্যাজলউড। এর ফলে আগেই ইনজুরিতে পড়ে থাকা প্যাট কামিন্সের পর আরও একটি বড় নাম হারাল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান টড ডোডেমাইড বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হ্যাজলউডকে নিয়ে শুরুতে আশাবাদী ছিল দল। সুপার এইট পর্বে ফেরানোর পরিকল্পনাও ছিল। তবে সর্বশেষ মেডিকেল রিপোর্টে জানা গেছে, পুরোপুরি সুস্থ হতে তার আরও সময় লাগবে। ঝুঁকি নিয়ে খেলালে ইনজুরি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাই বেশি।
এই পরিস্থিতিতে আপাতত স্কোয়াডে নতুন কাউকে যুক্ত করছে না অস্ট্রেলিয়া। যদিও ট্রাভেলিং রিজার্ভ হিসেবে দলের সঙ্গে রয়েছেন সিমিং অলরাউন্ডার শন অ্যাবট। নির্বাচকদের বিশ্বাস, গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোর জন্য বর্তমান দলই যথেষ্ট শক্তিশালী।
হ্যাজলউড ও কামিন্সের অনুপস্থিতির সঙ্গে আগেই টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। ফলে মার্চ ২০১১ সালের পর এই প্রথম কোনো বড় আইসিসি টুর্নামেন্টে এই তিন পেসারকে একসঙ্গে পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া।
তবে পেস আক্রমণে ভাটা পড়লেও দলের গভীরতা নিয়ে আশাবাদী অধিনায়ক মিচেল মার্শ। শ্রীলঙ্কার কন্ডিশন মাথায় রেখে স্পিন আক্রমণেই বেশি ভরসা রাখছে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাথিউ কুনেমান, অ্যাডাম জাম্পা ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের নেতৃত্বে শক্তিশালী স্পিন ইউনিট গড়ে তুলেছে দলটি।
মার্শ বলেন, ‘দলে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা আছে। যারা সুযোগ পাবে, তারা আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করেছে। কন্ডিশন বুঝেই আমরা সেরা একাদশ নামাব।’
উল্লেখ্য, আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কা থেকে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে অস্ট্রেলিয়া।

