২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট কেটে প্রথম দেশ হিসেবে মূল পর্ব নিশ্চিত করেছিল ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠেয় আসন্ন বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক কারণে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ইরান থাকলেও খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ায় ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।
যদি ইরান বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয় বা অংশ নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ফিফার বিধি অনুযায়ী তাদের জায়গায় একটি বিকল্প দল অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সাধারণত সেই দলটি হয় সংশ্লিষ্ট বাছাই পর্বের রানার-আপ অথবা ওই মহাদেশের সর্বোচ্চ র্যাংকিংয়ে থাকা যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ কোনো দল।
এই পরিস্থিতিতে ফিফার সামনে দুটি সম্ভাব্য বিকল্প রয়েছে। একদিকে, এশিয়ান বাছাইয়ে ইরানের পরের অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত সুযোগ পেতে পারে। অন্যদিকে, ইরানকে বাদ দিয়ে সরাসরি ইরাককে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করা এবং আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফে ইরাকের জায়গায় আমিরাতকে খেলানোর সিদ্ধান্তও নিতে পারে ফিফা।
ফিফার বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, সময়সূচি, ভিসা বা ভ্রমণ জটিলতার কারণে দল পরিবর্তন কঠিন হলে গ্রুপ বিন্যাস অপরিবর্তিত রেখে বিকল্প দল অন্তর্ভুক্ত করা বা ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে পুরো গ্রুপ পুনর্বিন্যাস করা যেতে পারে।
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপ থেকে দল প্রত্যাহারের ঘটনা খুবই বিরল। সর্বশেষ ১৯৫০ সালে ভারত ও ফ্রান্স যোগ্যতা অর্জন করেও টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল। সে সময় বিশ্বকাপ নির্ধারিত ১৫ দলের পরিবর্তে ১৩ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আসন্ন বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জি’তে ইরানের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে বেলজিয়াম, মিসর ও নিউজিল্যান্ড।

