বিশ্বকাপ শুরু হতে আর চার মাসও বাকি নেই। এরমধ্যেই বড় এক ধাক্কা খেল ব্রাজিল। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েছেন ব্রুনো গিমারেস। নিউক্যাসল ইউনাইটেডের অধিনায়ক চোটে কমপক্ষে দুই মাস মাঠের বাইরে থাকতে পারেন।
গত মঙ্গলবার রাতে টটেনহামের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে ম্যাচের শেষ দিকে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়েন এই ব্রুনো গিমারেস। গোড়ালির চোট থেকে মাঠে ফেরার পর ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডারের দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল এটি। ওই ম্যাচের পর নিউক্যাসলের কোচ এডি হাও বলেছিলেন, ‘গিমারেস কিছুটা উদ্বিগ্ন, কারণ এর আগে তাঁর কখনও হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যা হয়নি।’
দীর্ঘ সময়ের জন্য গিমারেসকে মাঠে না পাওয়া নিউক্যাসলের জন্য বড় ধাক্কা। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইংলিশ এই ক্লাবটিতে অভিষেকের পর তাকে ছাড়া ছাড়া মাঠে নেমে ১০ ম্যাচের একটিও জিততে পারেনি নিউক্যাসল ইউনাইটেড। সেলেসাও মিডফিল্ডার দলে থাকলে নিউক্যাসলের জয়ের হার ৫৩.১ শতাংশ। মাঠে তাঁর উপস্থিতিতে দল গোল করেছে গড়ে ১.৯টি এবং হজম করেছে ১.২টি।
প্রিমিয়ার লিগে পয়েন্ট টেবিলের ১০ নম্বরে আছে নিউক্যাসল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শীর্ষ চার থেকে ১২ পয়েন্ট দূরে এবং অবনমন অঞ্চল থেকে ১৩ পয়েন্ট উপরে অবস্থান করছে। সম্প্রতি ম্যানচেস্টার সিটি-এর কাছে হেরে লিগ কাপ থেকে বিদায় নিয়েছে তারা। আজ এফএ কাপে অ্যাস্টন ভিলার মুখোমুখি হবে ‘ম্যাগপাইরা’। এছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগে প্লে অফে কারাবাগ এফকের বিপক্ষে কদিন পরই মাঠে নামবে ক্লাবটি। গুরুত্বপূর্ণ এই সময় গিমারেসকে হারিয়ে বিপাকেই পড়েছে নিউক্যাসল।
ক্লাবের সঙ্গে জাতীয় দলেও গিমারেসের প্রভাব ব্যাপক। কার্লো আনচেলোত্তির সম্ভাব্য বিশ্বকাপ স্কোয়াডে তাঁর জায়গা অনেকটাই নিশ্চিত ছিল। আগামী ২৬ মার্চ ফ্রান্স ও ৩১ মার্চ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে গিমারেসকে পাবে না ব্রাজিল। ধারণা করা হচ্ছে এগ্রিলের শেষদিকে মাঠে ফিরতে পারেন এই মিডফিল্ডার।
চোটের পর পুর্নবাসনের জন্য রদ্রিগো লাসমারের তত্ত্বাবধানে ব্রাজিলে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে গিমারেসকে, যাতে তার উন্নতি পর্যবেক্ষণ করা যায়। সেলেসাওদের হয়ে এখন পর্যন্ত ৪১ ম্যাচ খেলে ২টি গোল করেছেন তিনি।

