আল নাসরের হয়ে সৌদি প্রো লিগ জয়ের পর সুখবর পেলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ফোর্বস সাময়িকীর প্রকাশ করা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপার্জনকারী ৫০ অ্যাথলেটের তালিকায় টানা চতুর্থবারের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। ২০২৩ সালে সৌদি আরবে পাড়ি জমানোর পর থেকেই আয়ের দিক থেকে নিজের আধিপত্য বজায় রেখেছেন এই পর্তুগিজ তারকা।
গত ১২ মাসে রেকর্ড ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (তিন হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা) উপার্জন করেছেন রোনালদো। তালিকায় শীর্ষ পাঁচে জায়গা ধরে রাখলেও রোনালদোর চেয়ে বেশ পিছিয়ে আছেন লিওনেল মেসি। ১৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (এক হাজার ৭২১ কোটি টাকা) আয় নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যবিষয়ক বিখ্যাত সাময়িকী ফোর্বস এই তালিকা করেছে খেলোয়াড়দের মাঠের ভেতরের চুক্তিভিত্তিক আয় (বেতন, বোনাস, প্রাইজমানি) এবং মাঠের বাইরের বাণিজ্যিক আয় (স্পন্সরশিপ, বিজ্ঞাপন, ব্যবসা) এই দুটি খাতের মোট অর্থ যোগ করে।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে মেক্সিকান বক্সিং তারকা কানেলো আলভারেজ। গত বছর রিংয়ের ভেতরে সময়টা খুব একটা ভালো না কাটলেও আয়ের দিক থেকে তিনি পকেটে পুরেছেন ১৭০ মিলিয়ন ডলার।
তালিকায় চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানটি দখল করে নিয়েছেন লস অ্যাঞ্জেলেসের দুই ক্রীড়া তারকা। লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্সের বাস্কেটবল কিংবদন্তি লেব্রন জেমস ১৩৭.৮ মিলিয়ন ডলার নিয়ে আছেন চার নম্বরে। আর বেসবল দুনিয়ায় ঝড় তোলা লস অ্যাঞ্জেলেস ডজার্সের জাপানি তারকা শোহেই ওহতানি ১২৭.৬ মিলিয়ন ডলার আয় করে আছেন পঞ্চম স্থানে।
এই তালিকায় অন্যান্য বড় নামের মধ্যে আছেন কানসাস সিটি চিফসের কোয়ার্টার ব্যাক প্যাট্রিক মাহোমস (১৫তম, ৮৪.৭ মিলিয়ন ডলার), আলোচিত বক্সার জেক পল (২৩তম, ৭০ মিলিয়ন ডলার) এবং ইতালিয়ান টেনিস তারকা ইয়ানিক সিনার (৫০তম, ৫৪.৬ মিলিয়ন ডলার)।
ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর ও এজেন্ট ফি দেওয়ার আগে বিগত ১২ মাসে বিশ্বের শীর্ষ ৫০ জন অ্যাথলেট সম্মিলিতভাবে প্রায় ৪.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছেন। যার মধ্যে মাঠের পারিশ্রমিক, বোনাস ও প্রাইজমানি থেকে এসেছে ৩ বিলিয়ন ডলার এবং মাঠের বাইরে বিজ্ঞাপন, স্পনসরশিপ ও অন্যান্য ব্যবসা থেকে এসেছে ১.১ বিলিয়ন ডলার।

