বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, চলতি মৌসুমে মানসম্মত পাটবীজের সংকট দূর করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে বীজের সংকট হবে না।
রবিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকে পাট রফতানিকারকরা উপদেষ্টাকে জানান যে, কাঁচা পাট রফতানি হওয়ার কারণে বাজারকে অস্থিতিশীল করতে অবৈধভাবে অনেকেই মজুতদারি শুরু করেছে। ফলে প্রতিনিয়ত পাটের দাম বেড়েই চলেছে। এতে কৃষক উপকৃত হচ্ছে না বরং এটিতে মজুতদারেরা লাভবান হচ্ছে, তারা পাটের বাজারে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। অবৈধ মজুতদারি রোধ না করলে প্রকৃত পাট চাষি ও পাট ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সর্বপরি অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে দেশের ক্ষতি হবে। এ সময় তারা মজুতদারি বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান।
উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, পাটের অবৈধ মজুতদারি প্রতিরোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে। খুব শিগগিরই পাট উৎপাদন বেশি হয় এমন ৪ জেলায় মজুতদারি প্রতিরোধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বৈঠকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তাপস প্রামানিক, ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন, বোর্ড ডিরেক্টর মোহাম্মদ শাহজাহান এবং হেলাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

