রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়া বা রুশ বাহিনীর ওপর যদি ‘পারমাণবিক উপাদান’ ব্যবহার করে কোনো হামলা হয়, তাহলে তার পরিণতি কী হতে পারে—তা মস্কোর শত্রুরা ভালোভাবেই জানে।
রাশিয়ার নিরাপত্তা সংস্থা এফএসবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এফএসবি হলো সোভিয়েত আমলের কেজিবির পরবর্তী সংস্থা।
এর আগে একই দিনে রাশিয়ার বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআর উদ্বেগ প্রকাশ করে। সংস্থাটি জানায়, ইউক্রেনের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কিছু প্রযুক্তি পৌঁছাতে পারে—এমন আশঙ্কা রয়েছে। এই বক্তব্যের পরই পুতিনের কড়া মন্তব্য সামনে আসে।
পুতিন বলেন, রাশিয়ার প্রতিপক্ষরা সম্ভবত বুঝতে পেরেছে, পারমাণবিক উপাদান দিয়ে কোনো হামলা চালানো হলে তার শেষটা কী হতে পারে। যদিও তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি, তবে তার বক্তব্যে শক্ত বার্তা ছিল।
রাশিয়া ২০২৪ সালে তাদের পারমাণবিক নীতি নতুন করে নির্ধারণ করে। সেই নীতিতে বলা আছে, কোন পরিস্থিতিতে দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে। মস্কো স্পষ্ট করেছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্রকে আক্রমণের হাতিয়ার হিসেবে নয়, বরং প্রতিরোধের মাধ্যম হিসেবে দেখে। অর্থাৎ শত্রুকে ভয় দেখিয়ে বড় সংঘাত ঠেকানোই এর উদ্দেশ্য।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলমান থাকায় এই মন্তব্যকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

