নিরাপদ এআই’র ক্ষেত্রে পাঁচ প্রধান চ্যালেঞ্জ, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

0

কৃত্রিম ‍বুদ্ধিমত্তার (এআই) নিরাপত্তায় প্রধান পাঁচটি চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ইউরোপীয় পার্লামেন্ট, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এআই ঝুঁকি নিরসণে পর্যবেক্ষণ কীভাবে করা যায় সে বিষয়ে ভাবছে। অন্যদিকে এআই বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলছেন, ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি মানব সভ্যতাকে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই এআইকে নিরাপদ করা যায় কীভাবে সে বিষয়ে ভাবছেন অনেকে। তবে এই প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতে আছে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও।

এআইর সংজ্ঞা নির্ধারণ

এআই নিয়ন্ত্রণে আইন করতে চলতি সপ্তাহেই ভোটাভুটি করেছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট। যুক্তরাজ্য ও যুক্তারষ্ট্রও করেছে এআই সম্মেলন। 

বিশ্ব ঐক্যে

যুক্তরাজ্য সরকারের সাবেক এআই প্রধান সানা খারাঘানি বলেছেন, এই প্রযুক্তি কোনো সীমানার প্রতিই শ্রদ্ধাশীল নয়। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের এ জন্য আন্তর্জাতিক ঐক্য দরকার। আমি জানি, এটা খুব কঠিন কাজ।’ ‘এটা কেবল অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়। এই প্রযুক্তি কোনো এক দেশের গণ্ডিতে আটকে নেই।’

তবে এখনো কোনো বৈশ্বিক ঐক্যের আভাস বা পরিকল্পনার দেখা মেলেনি। উল্টো উন্নত দেশগুলো তাদের মতো করো এআই নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। প্রতিষেধক খুঁজে বের করতে সহযোগিতা করতে হবে।

জন-আস্থা নিশ্চিত করা

যদি মানুষ এটাকে (এআই) বিশ্বাস করতে পারে, তবে তারা এটা ব্যবহার করবে। এমন মতই আইবিএমের ইইউ গভর্নমেন্ট ও রেগুলেটরি বিষয়ক হেড জ্যঁ মার্স লেসলের্ক। তার মতে, সঠিক ব্যবহার করতে পারলে মানুষের জীবন হবে অবিশ্বাস্য।

অন্যদিকে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট চাচ্ছে, মানুষকে এআই পণ্যের ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক করতে।

কে নিয়ম রচনা তা নির্ধারণ 

এ পর্যন্ত এআই হচ্ছে অনেকটা স্বনির্ধারিত। চ্যাটজিপিটির প্রধান স্যাম আল্টম্যান বলেছেন, ঝুঁকি প্রশমন করতে তারা সরকারের সাথে কাজ করছে। 

তবে কে নিয়ম নির্ধারণ করবে সেই কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করা নিয়ে আছে নানা শঙ্কা। 

দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া 

এআইর কারণে অনেকেই চাকরি হারাচ্ছেন। অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাটাই করছে। এই অবস্থায় দ্রুত পদেক্ষপ নেওয়াটাও জরুরি হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

সূত্র: বিবিসি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here