দেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও চাহিদা না পাঠালে এবং বে-আইনিভাবে নিবন্ধন সনদবিহীন শিক্ষক নিয়োগ করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
গত ১ জানুয়ারি দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান এবং গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির কাছে পাঠানো এক পত্রে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে এনটিআরসিএ। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন এনটিআরসিএ’র পরিচালক (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ।
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান এবং গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিদের উদ্দেশ্য পাঠানো এই এই নির্দেশনার চিঠি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক-এর কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারির পরিপত্র অনুযায়ী, দেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত শূন্যপদ পূরণের জন্য এনটিআরসিএ-তে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে ই-রিকুইজিশন বা চাহিদা প্রদান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠানে পদ শূন্য থাকলে অবশ্যই চাহিদা পাঠাতে হবে এবং এনটিআরসিএ-এর সুপারিশ অনুযায়ী নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে।
পত্রে ২০০৫ সালের এনটিআরসিএ আইনের ১০ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে জানানো হয়, কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিবন্ধিত ও প্রত্যয়নকৃত না হলে কোনো ব্যক্তি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। এছাড়া সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষক বা প্রদর্শক নিয়োগের ক্ষেত্রে এনটিআরসিএ-এর নিবন্ধন ও সুপারিশ থাকা বাধ্যতামূলক।
এনটিআরসিএ সতর্ক করে আরও জানিয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠান প্রধান যদি আইন, নীতিমালা ও পরিপত্রের ব্যত্যয় ঘটিয়ে শূন্যপদের চাহিদা প্রদান না করেন কিংবা বে-আইনিভাবে নিবন্ধনহীন শিক্ষক নিয়োগ দেন, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোতে চিঠি পাঠানো হবে বলেও নির্দেশনায় বলা হয়।

