নিখোঁজের ২১ দিন পর গোপালগঞ্জের একটি কবরস্থান থেকে মাটিচাপা অবস্থায় মোবাইল ব্যবসায়ী মিজান মোল্যার (৪৮) গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জাহিদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার খাগাইল গ্রামের কবরস্থান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মোবাইল ব্যবসায়ী মিজান মোল্যা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষেরচর গ্রামের হারেজ মোল্যার ছেলে।
ওসি জানান, গত ৮ নভেম্বর রাতে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ফোন করে ডেকে নিয়ে যায় তার ব্যবসায়িক পার্টনার জাহিদ। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার আজ শনিবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার খাগাইল এলাকার একটি কবরস্থান থেকে মাটিচাপা অবস্থায় ব্যবসায়ী মিজান মোল্যার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের শনাক্তের ভিত্তিতে মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে প্রধান আসামি জাহিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাকি জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।
নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পর হাসপাতাল মর্গে আনা হলে মিজান মোল্যার স্ত্রী ও তার স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়েছে ওঠে পরিবেশ। এ সময় নিহত ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের স্ত্রী জামিলা ইসলাম বলেন, গত ৮ নভেম্বর রাত ৯টার দিকে নিখোঁজ ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ফোন করে ডেকে নিয়ে যায় তার ব্যবসায়িক পার্টনার জাহিদ নামে আরেক ব্যবসায়ী। এরপর থেকেই কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি মিজানের। বন্ধ থাকে তার সব ক’টি মোবাইল নম্বর।
এ সময় তিনি তার স্বামীর ব্যবসায়িক পার্টনার জাহিদসহ হত্যার ঘটনায় জড়িত সকলকে গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবি জানান।

