নিউইয়র্কে ফরিদপুর জেলা সমিতির পিঠা উৎসব

0
নিউইয়র্কে ফরিদপুর জেলা সমিতির পিঠা উৎসব

৪২ রকমের পিঠার সমন্বয়ে নিউইয়র্কে উৎসবমুখর পরিবেশে ফরিদপুর জেলা সমিতির ‘পিঠা উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। 

কনকনে ঠান্ডার মধ্যে বাংলাদেশের আমেজে অনুষ্ঠিত এ উৎসবে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রবাস প্রজন্মের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। প্রধান অতিথি ছিলেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক এবং অভিবাসন বিষয়ে খ্যাতনামা অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী। 

সুদূর প্রবাসেও বেড়ে ওঠা প্রজন্মকে বাঙালির ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত রাখার ক্ষেত্রে ফরিদপুর জেলা সমিতির ভূমিকার প্রশংসা করে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, নিজ নিজ সংস্কৃতিকে বহুজাতিক এ দেশে উজ্জীবিত রাখার মধ্য দিয়ে প্রকারান্তরে বাংলাদেশ ও বাঙালিত্বকেই জাগ্রত রাখা সম্ভব হবে। আমরা সব সময় প্রিয় মাতৃভূমির কল্যাণে বদ্ধপরিকর। তাই বাংলাদেশ ভ্রমণের সময় প্রতিটি প্রবাসী যাতে নিরাপদে দিনাতিপাতে সক্ষম হন সে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে সরকারকে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, বাঙালির লোকজ ইতিহাস-ঐতিহ্যে পিঠা-পুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে প্রাচীনকাল থেকেই। পিঠা-পায়েস সাধারণত শীতকালের রসনাজাতীয় খাবার হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত এবং মুখরোচক খাদ্য হিসেবে বাঙালি সমাজে আদরণীয়। আত্মীয়স্বজন ও পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধনকে আরও দৃঢ় ও মজবুত করে তুলতে পিঠা-পুলির উৎসব বিশেষ ভূমিকা পালন করে। গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে পিঠা-পায়েস তৈরির ধুম শীতকালেই বেশি পড়ে। নিউইয়র্কেও একই আমেজ পরিলক্ষিত হচ্ছে ফরিদপুর সমিতির এ আয়োজনে।

হোস্ট সংগঠনের সভাপতি এম এম রমজান আলীর সভাপতিত্বে মোহাম্মদ বুলবুলের সঞ্চালনায় উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘এবিসিএইচ’র প্ল্যাটফর্মে আর্তমানবতা কার্যক্রমে খ্যাতি অর্জনকারী তরিকুল ইসলাম মিঠু।

আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শরিফ রাহাত মিল্টন এবং পিঠা উৎসবের আহ্বায়ক তৈয়বুর রহমান শুভেচ্ছা বক্তব্যে বিশাল এ আয়োজনে যারা ঘরে তৈরি পিঠা এনেছেন তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

শেষে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরীসহ অতিথিরা পিঠা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং সকলের মধ্যে তা বিনা মূল্যে পরিবেশন করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here