নাবালিকাকে অপহরণের পর ধর্ষণ

0
নাবালিকাকে অপহরণের পর ধর্ষণ

মাদারীপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার এক কিশোরীকে সোমবার (৯ মার্চ) সকালে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে আনা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে কালকিনি উপজেলার পশ্চিম আলিপুর এলাকার এক যুবক ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। মেয়েটি নাবালিকা হওয়ায় তার পরিবার প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে। এরপর বিভিন্নভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে জানা গেছে।

গত ৪ মার্চ সকালে কৌশলে তাকে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার পর কালকিনি এলাকায় একটি বাড়িতে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাকে মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে পরিবারের দাবি।

পরবর্তীতে স্বজনরা খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের পুলিশ ইনচার্জ এএসআই আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ভুক্তভোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মীর রায়হান জানান, ধর্ষণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযুক্ত মিলন সরদার ও নওয়াব আলী সরদারের সম্পর্ক দাদা-নাতি। ভুক্তভোগী কিশোরী দাবি করেন, প্রথমে তাকে কালকিনি এলাকায় দাদা নোওয়ায়াব আলী সরদার ধর্ষণ করে। পরে মুন্সিগঞ্জে নিয়ে গিয়ে নাতি মিলন সরদার আবারও ধর্ষণ করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here