গায়ের জার্সিটা নতুন। এতদিনের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বীরা এখন আপন। কিন্তু কারিম বেনজেমা তো আছেন নিজের মতোই। নতুন ক্লাবেও তিনি সেই পুরোনো রূপেই। আল-হিলালের হয়ে অভিষেক রাঙালেন তিনি হ্যাটট্রিক করে ও আরেকটি গোলে সহায়তা করে। তার নতুন শুরুতে বিশাল জয়ের স্বাদ পেল দল।
সৌদি প্রো লিগের ম্যাচটিতে বৃহস্পতিবার আল আখদুদকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করে আল-হিলাল।
গত মৌসুমে আল-ইত্তিহাদের ডাবল জয়ের নায়কদের একজন ছিলেন বেনজেমা। এই মৌসুমে ক্লাবের পারফরম্যান্স ভালো না হলেও তিনি ছিলেন ফর্মেই। কিন্তু চুক্তি নবায়ন নিয়ে টানাপোড়েনের জের ধরে ট্রান্সফার উইন্ডোর শেষ দিনে পাড়ি জমান তিনি আল-হিলালে। নতুন ক্লাবের হয়ে প্রথমবার খেলতে নামেন তিনি প্রতিপক্ষের মাঠে। প্রথম গোলের দেখা পান ৩১তম মিনিটে। বক্সের ভেতর চমৎকার ব্যাক হিলে বল জালে পাঠান ৩৮ বছর বয়সী তারকা।
প্রথমার্ধে গোল ছিল ওই একটিই। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জোয়ারে প্রতিপক্ষকে ভাসিয়ে দেয় আল-হিলাল। ৬০ মিনিটে কাছ থেকে নেওয়া শটে দ্বিতীয় গোল পান বেনজেমা। মিনিট চারেক পরই পূর্ণ হয় তার হ্যাটট্রিক।
এর ছয় মিনিট পর ব্রাজিলিয়ান ম্যালকমের গোলটিও বানিয়ে দেন তিনি। ফরাসি ফরোয়ার্ডের আরও ঝলক হয়তো দেখা যেত। কিন্তু ৭১তম মিনিটে তুলে নেওয়া হয় তাকে।
আল-হিলালের গোল উৎসব তাতে থামেনি। ৭৪তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ান সালেম আল-দসারি। গত বছরের এএফসি বর্ষসেরা ফুটবলার আরেকটি গোল করেন যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে।
নতুন ক্লাবে দারুণভাবে শুরু করে উচ্ছ্বসিত বেনজেমা বললেন, নতুন আবহে মানিয়ে নিতে তার সময় লাগেনি একটুও।
“আজকের ম্যাচটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। জিততে পেরে আমরা খুশি। ভালো খেলেছি আমরা, অনেক গোল করেছি এবং কোনো গোল হজম করিনি, কাজেই আমরা দারুণ খুশি।”
“ক্লাবের সবাই আমাকে দারুণভাবে আলিঙ্গন করে নিয়েছেন এবং সবকিছু দিয়েছেন। তাই মাঠে নেমে আমিও সবটুকু উজাড় করে দিতে চাই।”
এই জয়ে ২০ ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই আল-হিলাল। সমান ম্যাচে ৪৭ পয়েন্ট আল-আহলির। এক ম্যাচ কম খেলে ৪৬ পয়েন্ট ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর আল-নাস্রের।

