সিরিজে টিকে থাকতে চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না দক্ষিণ আফ্রিকার। এমন সমীকরণে মাঠে নেমে আজ নিউ জিল্যান্ডকে ১৯ রানে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এখন ২-২ সমতা।
দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ১৬৫ রানের লক্ষ্যে তাড়া করতে নেমে ১৮.৫ ওভারে ১৪৫ রানেই গুটিয়ে যায় কিউইদের ইনিংস।
ওয়েলিংটনের স্কাই স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন প্রোটিয়া অধিনায়ক মহারাজ। শুরুতে উইয়ান মুল্ডারের (০) দ্রুত বিদায়ে বিপাকে পড়ে সফরকারীরা। আরেক ওপেনার টনি ডি জর্জিকে নিয়ে ৫৬ বলে ৮১ রানের জুটি গড়েন তিনে নামা কনর এস্টারহুইজেন। জর্জি ২৩ রানে ফিরলেও ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন এস্টারহুইজেন। তাঁর ৩৬ বলে ৫৭ রানের ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও তিনটি ছক্কা।
দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮ রান আসে রুবিন হারম্যানের ব্যাট থেকে। শেষ দিকে হারম্যান ও জর্জ লিন্ডের ১৮ রানের জুটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৬৪ রান।
নিউ জিল্যান্ডের হয়ে কাইল জেমিসন ২৯ রানে ২ উইকেট নেন। বেন সিয়ার্স, জাক ফাউলকস ও কোল ম্যাককনচির শিকার ১টি করে উইকেট। জবাব দিতে নেমে ৯ রান করে ফিরে যান ডেভন কনওয়ের পরিবর্তে কিউই জার্সিতে প্রথমবারের মতো খেলতে নামা ক্যাটেন ক্লার্ক। আরেক ওপেনার টিম রবিনসন শুরুটা দারুণ করেছিলেন। তাঁর ৩২ রানে বিদায়ের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা।
ড্যান ক্লেভার (২৬) ও নিক কেলি (১৯) চেষ্টা করলেও দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে কিউই মিডল অর্ডার। শেষ দিকে কাইল জেমিসন ও জশ ক্লার্কসন চেষ্টা করলেও কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।
জেরাল্ড কোয়েটজি ৩১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে কিউইদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। ওটনিয়েল বার্টম্যান, প্রেনেলান সুব্রায়েন ও মহারাজ ২ টি করে উইকেট তুলে নেন।
হাফ সেঞ্চুরি ও ২ টি ক্যাচ ধরে ম্যাচসেরা প্রোটিয়া উইকেট কিপার ব্যাটার এস্টারহুইজেন। ক্রাইস্টচার্চে বুধবার সিরিজ নির্ধারণী পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে লড়বে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউ জিল্যান্ড।

