তিন নাটকে ক্যাপিটাল ড্রামার ঈদ

0
তিন নাটকে ক্যাপিটাল ড্রামার ঈদ

ঈদ উৎসব ঘিরে বিনোদনের পসরা সাজিয়েছে বিনোদনের প্ল্যাটফর্মগুলো। এর মধ্যে রেডিও ক্যাপিটালের ইউটিউব চ্যানেল ‘ক্যাপিটাল ড্রামা’ আনছে তিনটি নাটক—‘তোমাকে চাই’, ‘পি. ও বক্স ১৪৪’ ও ‘আপনজন’। তিনটি নাটকই নিবেদন করছে পোলার আইসক্রিম।

তোমাকে চাই

ঈদের দিন সন্ধ্যা ৭টায় প্রকাশিত হবে মাসরিকুল আলমের নাটক ‘তোমাকে চাই’।

এতে অভিনয় করেছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, তানজিম সাইয়ারা তটিনী প্রমুখ। ক্যাপিটাল ড্রামা জানিয়েছে, এই ঈদে অপূর্ব অভিনীত নাটক এটিই। নাটকের গল্প সোহেলকে ঘিরে। খালার মতে সে পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান ছেলে, আর খালুর মতে সে একেবারেই অকর্মা।

খালার কথায় খালাতো বোন রিনাকে বিয়েতে রাজি করায় সোহেল। পরে রিনা জানায়, ছোটবেলা থেকেই সে সোহেলকে ভালোবাসে। রিনার বিয়ের আগের দিন সোহেল বুঝতে পারে সেও রিনাকে ভালোবাসে; কিন্তু পরিবারের সম্মানের কথা ভেবে সে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে জানা যায়, রিনাও বিয়ে ভাঙার পরিকল্পনা করে পালিয়ে যায়।

অভিনেতা অপূর্ব বলেন, ‘নাটকটির গল্প ও চরিত্রগুলো আমার কাছে বেশ আলাদা লেগেছে। শুটিংয়ের সময় পুরো টিম খুব উপভোগ করে কাজ করেছি। আশা করি দর্শকরাও নাটকটি দেখে পছন্দ করবেন।’
তিন নাটকে ক্যাপিটাল ড্রামার ঈদ

আপনজন

ঈদের তৃতীয় দিন সন্ধ্যা ৭টায় প্রকাশিত হবে জাকারিয়া শৌখিন পরিচালিত নাটকটি। এতে অভিনয় করেছেন ফারহান আহমেদ জোভান, নাজনীন নাহার নীহা প্রমুখ।

এই ঈদে শৌখিন পরিচালিত একমাত্র নাটক এটি। সবুজপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া আবিদ এসএসসি পর্যন্ত গ্রামেই পড়াশোনা করে। এরপর ঢাকা কলেজে এইচএসসি এবং পরে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করে। প্রায় ১০ বছর পর গ্রামে ফিরে সে। তার স্বপ্ন গ্রামে একটি অ্যাভোকাডো অ্যাগ্রো ফার্ম গড়ে তোলা। গ্রামে ঢুকেই লতার মারা একটি ক্রিকেট বল তার মাথায় পড়ে, আর সেখান থেকেই তাদের পরিচয় ও ধীরে ধীরে ভালোবাসার শুরু। কিন্তু দুই পরিবারের পুরনো শত্রুতার কারণে তারা নিজেদের সম্পর্ক থেকে সরে আসতে চায়। নির্মাতা জাকারিয়া শৌখিন বলেন, ‘নাটকটি ঈদের আমেজ বাড়িয়ে দেবে। আপনজন নাটকটি আপনজনের সঙ্গে বসে দেখার মতো গল্প। পরিবার এবং প্রেম সমান্তরালভাবে এগিয়েছে।’
তিন নাটকে ক্যাপিটাল ড্রামার ঈদ

পি. ও বক্স ১৪৪

ঈদ উৎসবেই আসবে শিহাব শাহীন পরিচালিত নাটকটি। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। এতে অভিনয় করেছেন তৌসিফ মাহবুব, তানজিম সাইয়ারা তটিনী প্রমুখ। পত্র মিতালির মাধ্যমে অনামিকা ও মাসুদের পরিচয় হয়। চিঠির মাধ্যমে একে অপরের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে প্রেমে পড়ে। একসময় তারা ঠিক করে শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে দেখা করবে, কিন্তু দূর থেকে মাসুদকে দেখে পছন্দ না হওয়ায় অনামিকা সামনে না এসে ফিরে যায়। অনামিকার হয়ে মেয়েটি চিঠি লিখে দিত, অনামিকা তাকে বলে, চাইলে সে চিঠি লেখা চালিয়ে যেতে পারে। এরপর মাসুদের সঙ্গে চিঠির আদান-প্রদান চলতে থাকে আসলে সে মেয়েটির সঙ্গেই, যে সত্যিকার অর্থে চিঠিগুলো লিখত। কিন্তু একসময় হঠাৎ করেই চিঠিগুলো ঠিকানায় পৌঁছানো বন্ধ হয়ে যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here