মার্কিন নৌবাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যাচাই করার লক্ষ্যেই ইরান সম্প্রতি ড্রোন ও ট্যাঙ্কার নিয়ে সামনে এগিয়েছে বলে দাবি করেছে গবেষণা সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার (আইএসডব্লিউ)।
এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর দিকে নজরদারি ড্রোন পাঠানো এবং পরে একটি মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাঙ্কারকে বাধা দেওয়ার ঘটনাগুলো মূলত তেহরানের শক্তি প্রদর্শনেরই অংশ।
মঙ্গলবার আরব সাগরে প্রথম ঘটনাটি ঘটে যখন ইরানের একটি শাহেদ-ওয়ান টু নাইন নজরদারি ড্রোন মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের দিকে অগ্রসর হয়। তবে মার্কিন নৌবাহিনীর এফ-থার্টি ফাইভ সি যুদ্ধবিমান সময়মতো সেটিকে শনাক্ত করে ভূপাতিত করে। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই পারস্য উপসাগরে নজরদারি ড্রোনের সহায়তায় ইরানের বেশ কিছু দ্রুতগামী আক্রমণকারী যান একটি মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার থামানোর চেষ্টা করলে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারের হস্তক্ষেপে জাহাজটি রক্ষা পায়।
আইএসডব্লিউ এই ঘটনাগুলোকে পরিকল্পিত মহড়া হিসেবে উল্লেখ করেছে। যার মাধ্যমে ইরান প্রতিপক্ষের শক্তি, অবস্থান এবং সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার গভীরতা পরিমাপ করতে চাইছে। সংস্থাটি মনে করছে, ড্রোনটি ঠিক কতটা কাছে গিয়েছিল তা স্পষ্ট না হলেও মার্কিন রণতরী যে পদ্ধতিতে ড্রোনটিকে মোকাবিলা করেছে তা থেকে তেহরান ভবিষ্যতে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রতিরক্ষা কৌশল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেছে। একই সাথে ট্যাঙ্কার আটকের চেষ্টা করার মাধ্যমে ইরান বার্তা দিতে চাইছে, তারা এই অঞ্চলে মার্কিন নৌ-তৎপরতাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করার সক্ষমতা রাখে।
সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

