ডোপ টেস্টের আওতায় পড়ছেন ভারতের টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়ক শুবমান গিল। ২০২৬ সালে ডোপ পরীক্ষার জন্য তালিকাভুক্ত ক্রীড়াবিদদের মধ্যে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে ভারতের ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি (নাডা)।
নাডা প্রকাশিত তালিকায় মোট ৩৪৭ জন ক্রীড়াবিদের নাম রয়েছে, যার মধ্যে ১১৮ জন অ্যাথলেট। এ বছর নতুন করে তালিকাভুক্ত হয়েছেন ১২০ জন। এই তালিকাতেই রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক শুবমান গিলের নাম।
তালিকায় মোট ১৪ জন ক্রিকেটারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গিল ছাড়াও রয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার, যশস্বী জয়সওয়াল, হার্দিক পান্ডিয়া, ঋষভ পান্ত, জসপ্রীত বুমরাহ, লোকেশ রাহুল, অর্শদীপ সিং, তিলক বর্মা, স্মৃতি মান্দানা, জেমিমা রদ্রিগেজ, দীপ্তি শর্মা, শেফালি বর্মা এবং রেণুকা সিং ঠাকুর।
প্রাথমিক তালিকায় সূর্যকুমার যাদব ও সাঞ্জু স্যামসনের নাম থাকলেও চূড়ান্ত তালিকায় তাদের পরিবর্তে স্মৃতি মান্দানা ও জেমিমা রদ্রিগেজকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া তালিকায় রয়েছেন বেশ কয়েকজন হকি খেলোয়াড়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পুরুষ দলের অধিনায়ক হারমানপ্রীত সিং, অমিত রুইদাস ও হার্দিক সিং। নারী দলের অধিনায়ক সালিমা টেটে, গোলরক্ষক সবিতা পুনিয়া এবং নবনীত কৌরের নামও রয়েছে। পাশাপাশি ২৯ জন কুস্তিগিরকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে অলিম্পিক পদকজয়ী আমন সেরাওয়াত অন্যতম।
২০২৬ সালে এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এসব আন্তর্জাতিক আসরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই আগেভাগে ক্রীড়াবিদদের ডোপ পরীক্ষার তালিকা প্রকাশ করেছে নাডা।
নিয়ম অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত খেলোয়াড়দের সারা বছরের সম্ভাব্য অবস্থান ও সূচি নাডাকে জানাতে হবে। সূচিতে কোনো পরিবর্তন হলে সেটিও জানানো বাধ্যতামূলক। নির্ধারিত সময়ে পরপর তিনবার ডোপ পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।

