ডিগ্রি সুযোগ দেয়, শিক্ষা দায়িত্বশীল করে তোলে : শিক্ষা উপদেষ্টা

0
ডিগ্রি সুযোগ দেয়, শিক্ষা দায়িত্বশীল করে তোলে : শিক্ষা উপদেষ্টা

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, পড়াশোনা যদি কেবল নিজের স্বার্থ রক্ষা করে, তাহলে পড়াশোনা অব্যবহৃত থেকে যাবে। ডিগ্রি আমাদের সুযোগ তৈরি করে দেয়, কিন্তু শিক্ষা আমাদের দায়িত্বশীল করে। 

সোমবার চট্টগ্রামের নেভি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কনভোকেশন চেয়ার হিসেবে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জু উপদেষ্টা বলেন, তোমরা নতুন জীবনে প্রবেশ করেছ, সেখানে নানান রকমের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ যেন সুবিবেচনাপূর্ণ হয়, তার জন্য সময় নাও। যুক্তিযুক্ত হও এবং ন্যায্যতা বজায় রাখো। একজন সামান্য কর্মীকে যদি চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হয়, তাতেও এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।কেবল প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ নয়, সেই ব্যক্তির স্বার্থ এবং সুবিচারও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা বড় ধরনের একটি উত্তরণের পথে রয়েছি। কাজেই আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে কোনটা ন্যায়, কোনটা অন্যায়। কোন পথে আমরা যাব? অতীতের যে ব্যবস্থা আমাদের সমস্যা ও বিপর্যয়ের মুখে ফেলে দিয়েছে, আমরা কি সেই ব্যবস্থায় ফিরে যাব, নাকি নতুন একটি ব্যবস্থার দিকে যাব? শুধু ব্যক্তি আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভাবনা না করে বৃহত্তর সামাজিক দায়িত্বকেও বিবেচনায় নিতে হবে। ন্যায়নীতি, প্রতিষ্ঠা, সহনশীলতা, সহমর্মিতা এবং বৈচিত্র্যতা ধারণ ও সম্মান করা অপরিহার্য। ব্যক্তি অর্জন দিয়ে জীবনের অর্জন মাপা যায় না, বরং বৃহত্তর সমাজে আমরা কী দিচ্ছি—সেটাই বড় মাপকাঠি।

গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের ত্যাগের কারণেই আজ আমরা অধিকারবঞ্চিত প্রজা থেকে মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পেরেছি। 

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা নতুন জীবনে প্রবেশ করেছ, সেখানে নানান রকমের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ যেন সুবিবেচনাপূর্ণ হয়, তার জন্য সময় নাও। যুক্তিযুক্ত হও এবং ন্যায্যতা বজায় রাখো। একজন সামান্য কর্মীকে যদি চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হয়, তাতেও এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেবল প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ নয়, সেই ব্যক্তির স্বার্থ এবং সুবিচারও নিশ্চিত করতে হবে।

উপদেষ্টা বলেন, আমরা বড় ধরনের একটি উত্তরণের পথে রয়েছি। কাজেই আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে কোনটা ন্যায়, কোনটা অন্যায়। কোন পথে আমরা যাব? অতীতের যে ব্যবস্থা আমাদের সমস্যা ও বিপর্যয়ের মুখে ফেলে দিয়েছে, আমরা কি সেই ব্যবস্থায় ফিরে যাব, নাকি নতুন একটি ব্যবস্থার দিকে যাব? শুধু ব্যক্তি আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভাবনা না করে বৃহত্তর সামাজিক দায়িত্বকেও বিবেচনায় নিতে হবে। ন্যায়নীতি, প্রতিষ্ঠা, সহনশীলতা, সহমর্মিতা এবং বৈচিত্র্যতা ধারণ ও সম্মান করা অপরিহার্য। ব্যক্তি অর্জন দিয়ে জীবনের অর্জন মাপা যায় না, বরং বৃহত্তর সমাজে আমরা কী দিচ্ছি সেটিই বড় মাপকাঠি।

অভিভাবকদের উদ্দেশে চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, সন্তানদের শিক্ষার পেছনে তাদের যে ত্যাগ ও বিনিয়োগ রয়েছে, তা যেন নৈতিক, যোগ্য ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার মাধ্যমে সার্থক হয়। 

একই সঙ্গে শিক্ষকদের ধৈর্য, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গভীর সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here