গাজার পুনর্গঠন ও শাসনব্যবস্থা পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত বোর্ড অফ পিস বা শান্তি পরিষদে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নে এই পরিষদ একটি বিশেষ রূপরেখা নিয়ে কাজ করবে।
সাত সদস্যের এই প্রাথমিক বোর্ডে আরও থাকছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং ট্রাম্পের জামাতা ও দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা জারেড কুশনার।
ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এই পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী সপ্তাহগুলোতে আরও নতুন সদস্যের নাম ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই নির্বাহী বোর্ডের সদস্যরা গাজার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন এবং বড় ধরনের বিনিয়োগ আকর্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তদারকি করবেন।
যুক্তরাষ্ট্র এই অন্তর্বর্তীকালীন কাঠামো বাস্তবায়নে ইসরায়েল, গুরুত্বপূর্ণ আরব দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে টনি ব্লেয়ারকে এই বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি মধ্যপ্রাচ্যে বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণে তাঁর ভূমিকার কারণে ওই অঞ্চলে ব্লেয়ারকে নিয়ে আজও নেতিবাচক ধারণা রয়েছে।
এর আগে ২০০৭ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করলেও ইসরায়েলের প্রতি অতিমাত্রায় অনুগত থাকার অভিযোগে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। যদিও ট্রাম্প ব্লেয়ারের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছিলেন, তবুও শেষ পর্যন্ত তাঁর অভিজ্ঞতার ওপরই ভরসা রাখল হোয়াইট হাউস।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

