ট্রাম্পের আলোচনার প্রস্তাবকে সন্দেহের চোখে দেখছে ইরান। তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতির নামে দেওয়া এই প্রস্তাব আসলে একটি সুপরিকল্পিত ফাঁদ হতে পারে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের আশঙ্কা এই আলোচনার অজুহাতে তাদের হাতে গোনা কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে জনসমক্ষে বের করে এনে অতর্কিত হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।
বিশেষ করে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বোঘেরে কালিবাফকে ঘিরে এই শঙ্কা বেশি। তিনি সাম্প্রতিক বিমান হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া শীর্ষ নেতাদের একজন। প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনায় তার উপস্থিতি চাওয়ার বিষয়টিকে সন্দেহজনক হিসেবে দেখছে তেহরান।
ইরানি কর্মকর্তা ও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা আরব প্রতিনিধিদের মতে, ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার যে ঘোষণা দিয়েছেন, সেটিও একটি কৌশল হতে পারে। তাদের ধারণা, পুনরায় হামলা শুরুর আগে বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সময় নেওয়া হচ্ছে।
এ কারণে তেহরানের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে, সরাসরি আলোচনায় বসা মানেই নিজেদের নিরাপত্তাকে বড় ঝুঁকির মুখে ফেলা। তাদের মতে, কূটনৈতিক প্রস্তাবের আড়ালে সামরিক পরিকল্পনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সূত্রঃ ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

