জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আমাদের বীর সন্তানরা, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম যে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছে, এমন অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেই আত্মত্যাগ সফল ও সার্থক হতে যাচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ নজিরবিহীন উৎসবমুখর পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সব বয়সি মানুষ ঈদের দিনের মতো উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট উৎসবে অংশ নিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনের আওতাধীন নগরীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এরপর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ফারুক-ই-আজম বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক ধারায় প্রত্যাবর্তনের প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত বহুল আলোচিত এই নির্বাচন ও গণভোট বিশ্ববাসী, বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘ গভীর আগ্রহ নিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে।
তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া, ফলাফল ঘোষণা এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে সফলভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর পর্যন্ত যদি এ ধরনের শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় থাকে, তবে তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার ও উজ্জ্বল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, নগরী ও পার্শ্ববর্তী জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে যে শান্তিপূর্ণ ও উৎসাহব্যঞ্জক পরিবেশ দেখেছি, তা গণতন্ত্রপ্রেমী সকল মানুষের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক।
ভোটদান শেষে ফারুক-ই-আজম চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন আসন-চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ), চট্টগ্রাম-৪ (ফটিকছড়ি), চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) ও চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) পরিদর্শনে যান।
উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আন্তরিকভাবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর ছিল।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সর্বোপরি দেশের জনগণের সহযোগিতায় সরকারের সেই লক্ষ্য এখন বাস্তবায়নের পথে।
সূত্র : বাসস

