জাতীয় জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করা হলেও ভেনেজুয়েলার অনেক নাগরিক বাড়ির বাইরে যেতেও ভয় পাচ্ছেন।
ভেনেজুয়েলার মধ্য-পশ্চিম এলাকার বাসিন্দা ভিক্টোরিয়া বিবিসির সাংবাদিককে জানান, শনিবার থেকে বাড়ির বাইরে বের হননি তিনি।
তিনি জানান, শহরের রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা এবং অনেক দোকান বন্ধ রয়েছে। সশস্ত্র পুলিশের মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না কেউ।
যদিও সশস্ত্র বেসামরিক গোষ্ঠীগুলো নিয়ে তিনি আরও ভয়ে আছেন। যারা “মানুষকে থামিয়ে তাদের ফোন চেক করছে পরিস্থিতি সম্পর্কিত কোনও বিষয়বস্তু আছে কিনা সেটি দেখার জন্য”।
ভিক্টোরিয়া বলেন, ভেনেজুয়েলার জনগণ খুশি যে জানুয়ারির তিন তারিখ ছিল এই সরকারের পতনের শুরু। কিন্তু এখনও অনেক সরকারি ব্যক্তি দায়িত্বে আছেন, এবং আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে দমন, ভীতি প্রদর্শন এবং ভয় রয়ে গেছে।
এদিকে, রাজধানী কারাকাসে কয়েক ডজন সামরিক চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এমনকি শহরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বিদেশি সাংবাদিকদেরও।
স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতা কাতিউস্কা ক্যামারগো জানিয়েছেন, কারাকাসের পেটারে শহরের রাস্তায়, ‘বন্দুকধারী ব্যক্তিরা টহল দিচ্ছে, মানুষের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসও পরীক্ষা করছে তারা।’
সাংবাদিক ও গণমাধ্যম কর্মীদের ইউনিয়ন জানিয়েছে, সোমবার সকালে ১৪ জন সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে, যদিও তাদের পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ভোরে ফিল্মি স্টাইলে সামরিক অভিযান চালিয়ে কারাকাস থেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে এনেছে মার্কিন বাহিনী। সূত্র: বিবিসি

