বাংলাদেশে কৃষি জমির পরিমাণ দিন দিন কমে আসছে। উন্নত সুযোগ-সুবিধার আশায় নগরমুখী মানুষের সংখ্যা বাড়ায় শহরের ওপর চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় সবুজের ঘাটতি পূরণে অনেকেই বাড়ির ছাদ ও বারান্দায় চাষাবাদ শুরু করেছেন। টব, বালতি কিংবা অন্যান্য পাত্রে সবজি, ফল ও ফুল চাষের পাশাপাশি এখন জিও ব্যাগে চাষের প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রংপুর মহানগরীর শালবন মিস্ত্রিপাড়া হারাগাছ রোডের গাছবাড়ি নার্সারিতে গিয়ে দেখা যায়, রাবেয়া সরকার রত্না নামের এক গৃহিণী জিও ব্যাগে মাটি ও সার ভরার জন্য টমেটো, মরিচ ও বেগুনের চারা কিনছেন। তিনি দিনাজপুরের পার্বতীপুরের খোলাহাটি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।
গাছবাড়ি নার্সারির কর্ণধার রাশেদুল কবির রুবেল জানান, একটি জিও ব্যাগ ১৫ থেকে ২০ বছর, এমনকি ২৫ বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যায় এবং এতে ছাদের কোনো ক্ষতি হয় না। আকারভেদে জিও ব্যাগের দাম ৯০ থেকে ৩৫০ টাকা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর দাম ৫৫০ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে।
রাবেয়া সরকার রত্নার জীবনসঙ্গী বাংলা একাডেমির সহপরিচালক এবং রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবিদ করিম মুন্না বলেন, বর্তমানে ছাদকৃষিতে সিমেন্টের টব বা প্লাস্টিকের বালতির পরিবর্তে জিও ব্যাগ বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে। কারণ, বিভিন্ন ধরনের গাছ, বিশেষ করে ফুল ও ফলজাত উদ্ভিদ রোপণ ও বৃদ্ধির উপযোগীভাবে জিও ব্যাগ তৈরি করা হয়েছে।

