দীর্ঘ চার মাস পর রংপুর অঞ্চলে বৃষ্টি হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে বোরো চাষিদের মাঝে। বুধবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি নামলে ভিজে ওঠে ভূপৃষ্ঠ এবং সতেজ হয়ে ওঠে বোরো ক্ষেত।
৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতে কৃষকদের সেচ খরচ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। আমন মৌসুমে ধানের ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা এবার বোরো আবাদে বেশি আগ্রহী হয়ে মাঠে নেমেছেন।
রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়নের কৃষক বুলবুল মিয়া বলেন, তিনি দুই বিঘা জমিতে বোরো ধান আবাদ করেছেন। বৃষ্টি হওয়ায় জমিতে অতিরিক্ত সেচ দিতে হবে না, এতে খরচ কমবে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলায় এ বছর ৫ লাখ ৯ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে- গত বছরের নভেম্বর, ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চের ১১ তারিখ পর্যন্ত এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের হার ছিল প্রায় শূন্য। দীর্ঘ সময় বৃষ্টি না হওয়ায় প্রকৃতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছিল।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান বলেন, দীর্ঘ চার মাস পর বৃষ্টি হয়েছে এবং চলতি মাসে আরও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার রাতের বৃষ্টি বোরো চাষিদের স্বস্তি দেওয়ার পাশাপাশি প্রকৃতিকে শীতল করেছে।

