ভেনেজুয়েলা ও গ্রিনল্যান্ডসহ বিভিন্ন ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যে জেরে সম্প্রতি দফায় দফায় বাড়ছিল স্বর্ণের দাম। চলতি সপ্তাহে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৮০০ ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে খ্যাত স্বর্ণের দাম।
তবে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্প নমনীয় হতেই বিনিয়োগকারীরা মূল্যবান ধাতুর পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদেও অর্থ খাটানো শুরু করেছেন। এর ফলে ২২ জানুয়ারি বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে।
বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টা ১৭ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ কমে দাঁড়ায় প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮২৪ দশমিক ১৮ ডলারে। এর আগে সেশনের শুরুতে দাম প্রায় ১ শতাংশ নেমে গিয়েছিল।
ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ০ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮২৬ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
চলতি বছরে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ১২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ২১ জানুয়ারি এই মূল্যবান ধাতুর দাম প্রতি আউন্স ৪,৮৮৭ হাজার ৮২ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল।
অ্যাকটিভট্রেডসের বিশ্লেষক রিকার্ডো ইভানজেলিস্তা বলেন, “ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা ফিরে আসায় নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা কমছে। পাশাপাশি মার্কিন ডলার সামান্য শক্তিশালী হওয়াও স্বর্ণের দামের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।”
হেরাউস প্রেশাস মেটালসের গ্লোবাল হেড অব ট্রেডিং হেনরিক মার্কস বলেন, “স্বর্ণের দামের সামগ্রিক প্রবণতা এখনও ঊর্ধ্বমুখী।”
অন্যান্য ধাতুর মধ্যে স্পট মার্কেটে রুপার দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৯৩ দশমিক ৭১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে ২০ জানুয়ারি রুপা ৯৫ দশমিক ৮৭ ডলারে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল।
স্পট প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ২,৪৮৪ হাজার ৭৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৮৬০ দশমিক ৫৪ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স

