যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে নিরাপত্তারক্ষীর গুলিতে ৩৭ বছরের এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে দেশজুড়ে।
জানা গেছে, বুধবার অভিবাসন দফতর (আইসিই)-এর এক কর্মকর্তার গুলিতে নিহত হন রেনি নিকোল গুড নামের এক নারী।
তবে অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষীর পক্ষেই সাফাই গেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, ওই কর্মকর্তা যা করেছেন, তা সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার তাগিদেই!
ট্রাম্পের মতে, নিহত তরুণী ‘সহিংস এবং ইচ্ছাকৃতভাবে’ অভিবাসন দফতরের কর্মকর্তাদের গাড়ি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সে সময় নিজের প্রাণ বাঁচাতে একজন কর্মকর্তা ওই গাড়ির দিকে গুলি ছোড়েন। তাতেই ওই নারী মৃত্যু হয়।
ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমি মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে সংঘটিত ঘটনাটির ভিডিও দেখেছি। ভিডিওটি খুবই ভয়াবহ। যে নারীর চিৎকার শোনা গেছে, তিনি স্পষ্টতই একজন পেশাদার আন্দোলনকারী ছিলেন। তিনি খুবই বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তার পর তিনি সহিংস এবং ইচ্ছাকৃতভাবে ওই আইসিই কর্মকর্তাকে গাড়ি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। আত্মরক্ষার জন্য ওই কর্মকর্তা তাকে গুলি করেন। ভিডিওটি দেখলে এটা বিশ্বাস করা কঠিন যে, ওই কর্মকর্তা বেঁচে আছেন! আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।”
গোটা ঘটনার জন্য ‘কট্টর বামপন্থী’দের দুষেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তার দাবি, বামেরা প্রায়ই আইসিই এজেন্টদের হুমকি দিচ্ছেন এবং আক্রমণ করছেন। বুধবারের ওই ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘‘তারা (আইসিই এজেন্টরা) শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ করে তোলার কাজটি করার চেষ্টা করছেন। আমাদের আইনপ্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং সহিংসতা ও ঘৃণার এই উগ্র বামপন্থী আন্দোলনের হাত থেকে তাদের রক্ষা করতে হবে।”
রেনি নামে ওই তরুণীকে গুলি করে হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ওই এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে জনতা। সূত্র: এনবিসি নিউজ, বিবিসি

