কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বোতলের ক্যাপ ছুড়ে মারাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৭ জন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রবিবার বিকালে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বেড় কালোয়া জামে মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন কয়া ইউনিয়নের রাধাগ্রামের মো. রাব্বি, মো. ওবাইদুল্লাহ, জনি শেখ, বেড় কালোয়া গ্রামের শারুফ শেখ, জাহাঙ্গীর আলম, মো. শফিউদ্দিন (৬৫) ও ওবাদুল্লাহ শেখ (৫৫)। তাদের মধ্যে রাব্বি, জনি ও শারুফকে স্বজনরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে প্রাথমমিক চিকিৎসা শেষে তাদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এ ঘটনায় সম্পৃক্ত আলম শেখ অভিযোগ করেন, সকালে প্রতিপক্ষের রতন একজনের মাথায় বোতলের ক্যাপ ছুড়ে মারলে হালকা-পাতলা মারামারি হয়েছিল। সেই ঘটনার জেরে বিকেলে অতর্কিত হামলা হয়েছে। এতে আমাদের সাতজন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন।
আহত জনি শেখ বলেন, ‘বিকেল সাড়ে ৫ টার তারা ১০ থেকে ১২ জন আড্ডা দিচ্ছিলাম। তখন জেলেপাড়ার ইয়ারুল, নাসির, সোহেলসহ অনেকে হামলা চালায়। এতে আমিসহ অন্তত ৭ জন গুলিবিদ্ধ ও আহত হয়েছি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কি ধরণে গুলি তা বলা যাবে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত জেলেপাড়ার সরদার ইয়ারুল শেখের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা ও গুলিবিদ্ধের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমমিকভাবে জানা গেছে। এতে এক বেশ কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

