কুড়িগ্রামে আকস্মিক ঝড়সহ প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে আকস্মিক প্রচণ্ড ঝড়সহ শিলাবৃষ্টি হয়। এতে কৃষকের চলতি মৌসুমের রোপণকৃত বোরো ধানসহ শাকসবজির প্রচণ্ড ক্ষয়ক্ষতি হয়।
কৃষকরা জানান, এ মৌসুমে হঠাৎ এ ধরনের শিলাবৃষ্টি হওয়ার কারণে পাটশাক, আলু, বেগুন, করলা, ঢ্যাঁড়স, কচুসহ বিভিন্ন সবজি ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শাকসবজিসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের অন্যতম এলাকা কুড়িগ্রাম সদরের কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়ন। এখানকার কৃষক সোলায়মান আলী বলেন, এমনিতে আলু উৎপাদনে ব্যয়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আমরা প্রাপ্য মজুরি পাইনি। এর ওপর হঠাৎ শিলাবৃষ্টি ও বৃষ্টির কারণে আমাদের আরও উৎপাদিত বেগুন, করলা, ঢ্যাঁড়স, বরবটিসহ বিভিন্ন ফসলের সঠিক মূল্য পাব না। এতে আমাদের এ অঞ্চলের কৃষকরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে পড়বেন।
নাগেশ্বরী উপজেলার ভেতরবন্দ ইউনিয়নের কৃষক আইয়ুব আলী বলেন, এ বছর বেগুন উৎপাদনে ব্যয় বেশি। কিন্তু বেগুনের সঠিক দাম পাচ্ছি না। আবার শিলাবৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হওয়ায় আমরা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছি।
অন্যদিকে, কালীগঞ্জ ইউনিয়নের ঝাঁকুয়াবাড়ি এলাকার কৃষক তাইজুল ইসলাম বলেন, এ বছর শিলাবৃষ্টিতে আমার আটাশ ধানের ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে আমি মনে করছি।
কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এখনো ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিরূপণ করা যায়নি।

