কুড়িগ্রামে আবারও হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টায় জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস। নতুন করে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হওয়ায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষজন।
গত তিন দিন ধরে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও বৃহস্পতিবার ভোর থেকে আবার শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করে। মাঘ মাসের শুরু থেকেই জেলায় শীতের দাপট বাড়ছে। দিনের বেলায় তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও কমছে না শীতের অনুভূতি। ফলে কুড়িগ্রাম জেলার পাশাপাশি আশপাশের চর ও দ্বীপচরের বাসিন্দারা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।
সকালের দিকে ঘন কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কিছুটা কেটে গেলে সাময়িক স্বস্তি মিললেও বিকেল গড়াতেই আবার ঠান্ডা বাড়তে শুরু করে। সন্ধ্যার পর থেকে রাতভর হিমেল হাওয়ায় কাহিল হয়ে পড়ে গোটা জনপদ।
প্রচণ্ড শীতের কারণে গত দুই সপ্তাহে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এসব রোগীর মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যা বেশি।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নুরে নেওয়াজ আহমেদ বলেন, শীতের কারণে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে নিয়মিত চিকিৎসা দেওয়ায় অনেক রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাসেবায় কোনো সমস্যা নেই বলেও জানান তিনি।

