এশিয়ার নারী ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর এশিয়ান কাপ আগামীকাল রবিবার (১ মার্চ) থেকে শুরু হচ্ছে। এদিন পার্থে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইন।
১২ দলের এই আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। তবে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ার নর্থ সাউথ ওয়ালেসের সিডনিতে বাংলাদেশের পথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৬ মার্চ একই ভেন্যুতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়া। আর ৯ মার্চ পার্থে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানের মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের দল।
৫১ বছরের টুর্নামেন্ট ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল চীন, যারা নয়বারের চ্যাম্পিয়ন। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিপক্ষ এই শক্তিশালী চীন। এছাড়াও উত্তর কোরিয়া ও উজবেকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে আফঈদা-ঋতুপর্ণারা।
এবারের নারী এশিয়ান কাপ বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কারণ ১২ দলের এই আসরে প্রথমবার খেলবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে দলটির ওপর প্রত্যাশার চাপ তুলনামূলক কম। ঋতুপর্ণা-আফঈদাদের সামনে হারানোর কিছু নেই, অর্জনের সুযোগই বেশি।
এশিয়ার বিশ্বকাপখ্যাত এই টুর্নামেন্টে নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। আধুনিক ফুটবলে ভিএআর প্রযুক্তি নিয়মিত ব্যবহার হলেও নারী কিংবা পুরুষ বাংলাদেশের ফুটবলারদের সেই অভিজ্ঞতা এখনো হয়নি। সারাবছর আন্তর্জাতিক ম্যাচের অপেক্ষায় থাকা ফুটবলাররা এবার মাঠে নামবে এশিয়ার পাওয়ারহাউজ দলগুলোর বিপক্ষে। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী চীন, উত্তর কোরিয়া ও উজবেকিস্তান।
এদিকে টুর্নামেন্ট শুরুর এক সপ্তাহ আগে থেকেই পারামাট্টা স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকা রূপ নিয়েছে আলো, রঙ আর ফুটবল উৎসবের কেন্দ্রে। টুর্নামেন্ট ঘিরে পারামাট্টা নদীর বুকে স্থাপন করা হয়েছে চার মিটার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের একটি বিশাল ভাসমান ফুটবল। আগামী ১১ মার্চ পর্যন্ত এটি নদীতে ভাসমান থাকবে।
প্রতিদিন হাজারো নৌপথের যাত্রী ও দর্শনার্থীর চোখে পড়বে এই আলোকিত প্রতীক। বিশেষ করে পারামাট্টা স্টেডিয়ামে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় এটি বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত এই ভাসমান ফুটবলে চালু থাকবে আলো ও শব্দের বিশেষ আয়োজন।

