কনকনে শীতের মাঝেও ধুলাবালিতে নাকাল হিলিবাসী, ভোগান্তি চরমে

0
কনকনে শীতের মাঝেও ধুলাবালিতে নাকাল হিলিবাসী, ভোগান্তি চরমে

অনিয়ন্ত্রিত ধুলাবালিতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর এলাকায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শুষ্ক মৌসুম শুরু হতে না হতেই স্থলবন্দরের প্রধান সড়কসহ আশপাশের এলাকায় ধুলার আস্তরণ পড়ে গেছে। বিপাকে পড়েছেন রাস্তার পাশে বসবাসকারীরা, সেই সাথে গাছের পাতায় ধুলার স্তর পড়ে জমা হয়ে আছে। এতে একদিকে যেমন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক চলাচল। 

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন শত শত পণ্যবাহী ট্রাক যাতায়াত করে। বন্দরের প্রধান রাস্তা খানাখন্দে ভরা, এতে গাড়ি চলার সময় ধুলোয় পুরো এলাকা আচ্ছন্ন করে ফেলছে। বিশেষ করে হিলি চারমাথা মোড় থেকে মহিলা কলেজ পর্যন্ত এলাকাটি ধুলাময়ে পরিণত হয়েছে। 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তায় পৌরসভা থেকে কোন প্রকার পানি দেওয়া হয় না। সেই সাথে দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তার কাজ বন্ধ আছে, এতে বর্ষার সময় ধুলা আর খড়া মৌসুমে ধুলার রাজ্যে পরিণত হয়। তীব্র ধুলাবালির কারণে স্থানীয়দের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি এবং চোখের অ্যালার্জিসহ বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে স্কুলগামী শিশু ও বয়স্করা। বিভিন্ন ছোট বড় দোকানে মালামাল সাজিয়ে রাখা দায় হয়ে পড়েছে। আধা ঘণ্টা পরপর ঝাড়ু দিয়েও ধুলা কমানো যাচ্ছে না। এতে করে তারা রীতিমতো শ্বাসরোধকর অবস্থায় আছে। 

আব্দুর রহিমসহ কয়েকজন ইজিবাইক চালক জানান, মাস্ক পরেও ধুলার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘক্ষণ এই পরিবেশে কাজ করায় অনেক চালক দীর্ঘমেয়াদী ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছেন।
হিলি হাকিমপুর নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ জানান, এই রাস্তাটির কাজ ইতোমধ্যে একনেকে পাস হয়েছে। খুব দ্রুতই ফোর লেন রাস্তার কাজ শুরু হবে। 

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা সাংবাদিকদের জানান, রাস্তাটির কাজ বিভিন্ন সমস্যার কারণে শুরু হয়নি। একবার বাজেট হওয়ার পরেও বাজেটটি বাতিল হয়। সেই সাথে জনগণের কথা চিন্তা করে পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করা হবে। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here