সামরিক উত্তেজনার মধ্যে আগামী পারমাণবিক আলোচনা এগিয়ে নিয়ে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন ওয়াশিংটন ও তেহরান।
একজন আঞ্চলিক কূটনীতিতের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এর সংবাদদাতা বারাক রবিদ বৈঠকের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়েছেন।
পোস্টে তিনি আরব দেশের একটি সূত্রের বরাত তিনি লেখেন, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনা শুক্রবার ওমানে অনুষ্ঠিত হবে। সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন তুরস্ক থেকে আলোচনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য ইরানের অনুরোধে সম্মত হয়েছে।
তার তথ্য অনুযায়ী, ‘ওমানে আলোচনায় আরব ও মুসলিম দেশগুলো যোগ দেবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা এখনও চলছে। এর আগে অ্যাক্সিওস জানিয়েছিল, ইরান আমেরিকার সাথে আলোচনার ধরণ দ্বিপাক্ষিক করার এবং ইস্তাম্বুলের পরিবর্তে ওমানে করার পরিকল্পনা করছে।
ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছেন, কোনও চুক্তিতে না পৌঁছালে খারাপ কিছু ঘটেতে পারে। যার ফলে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের উপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে বিমান হামলার পারস্পরিক হুমকির সৃষ্টি হয়েছে এবং বৃহত্তর যুদ্ধে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে ইরান বলেছে, তারা তাদের শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে ছাড় দেবে না, আলোচনায় এটি একটি লাল রেখা বলে অভিহিত করা হচ্ছে।
এদিকে তেহরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় পাকিস্তান, সৌদি আরব, কাতার, মিশর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ এই অঞ্চলের আরও বেশ কয়েকটি দেশের মন্ত্রীদেরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে আঞ্চলিক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, তেহরান এখন কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চায়।

