ওমানের মধ্যস্ততায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের বিষয়টি উত্থাপনের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ইরান থেকে ইউরেনিয়াম অপসারণের বিষয়ে জল্পনা কল্পনার বিষয়টি বৈশ্বিক শক্তির অব্যাহত চাপের কারণে সামনে এসেছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় ওমানের রাজধানী মাস্কাটে তেহরান ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা হয়। এতে ইরানের পররাষ্ট্র আব্বাস আরাগচি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার বৈঠকে নেতৃত্ব দেন।
মোহাম্মদ ইসলামি বলেছেন, ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের বিষয়টি আলোচনার সূচিতে ছিল না। তবে বেশ কয়েকটি দেশ আলোচনায় সহায়তা করার জন্য প্রস্তাব পেশ করলেও, মাস্কাটে এ নিয়ে আলোচনা হয়নি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কমানোর বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে আণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান বলেন, এই বিষয়টি নির্ভর করে, বিনিময়ে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে কিনা তার ওপর।
রাজনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত আলোচনা পরিচালনার বিষয়ে মন্তব্য করে ইসলামি বলেন, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক বহাল রয়েছে। তবে সুরক্ষা ব্যবস্থার অধীনে স্থাপনাগুলোতে সামরিক আক্রমণের বিষয়ে সংস্থাটির এখনও একটি অসম্পূর্ণ দায়িত্ব রয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা এই দায়িত্ব এড়াতে পারে না। ইরান সংস্থাটির তত্ত্বাবধানে থাকে, সংস্থার সার্টিফিকেশন ধারণ করে এবং এর বিশ্বাসযোগ্যতার অংশ হয় তাহলে গত বছরের জুনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের তাদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালালোর পর সংস্থাটি নিরব থাকতে পারে না।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি।

