এবার জিরা চাষের সাফল্যে কৃষকের মুখে হাসি, অনেকেই চাষে আগ্রহী

0
এবার জিরা চাষের সাফল্যে কৃষকের মুখে হাসি, অনেকেই চাষে আগ্রহী

শখের বশেই দিনাজপুরে প্রথমবারের মতো মসলা জাতীয় জিরা চাষে সাফল্য পেয়েছেন কৃষক হামিদুর রহমান।এখানকার মাটিতে জিরা হবে কিনা এরকম ভেবেই ২ শতাংশ জমিতে চাষ করে ভালই ফলন পেয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা পরিদর্শন করে তাকে চাষে উৎসাহিত করেছেন।

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার খট্রামাধবপাড়া ইউনিয়নের সাতকুড়ী গ্রামের কৃষক হামিদুর রহমান অনলাইনের মাধ্যমে জিরার বীজ সংগ্রহ করে প্রথমবারের মতো চাষ করে ভালোই ফলন পেয়েছেন। ২ শতাংশ জমিতে চাষ করে তিনি প্রায় সাড়ে তিন কেজি জিরার ফলন পেয়েছেন, যা এলাকায় নতুন সম্ভাবনাময় আশার আলো দেখাচ্ছে। এই জিরা চাষে ভালো ফলন পাওয়া গেলে এলাকায় দ্রুত চাষ বাড়ার সাথে এটি লাভজনক ফসল হবে। অবদান রাখবে অর্থনৈতিক উন্নয়নে এমনটাই বললেন সংশ্লিষ্টরা।

সফল কৃষক হামিদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, অনলাইনের মাধ্যমে জিরার বীজ সংগ্রহ করে চাষ করেছি। এ এলাকায় আগে কখনো জিরা চাষ হয়নি। প্রথমবার ২ শতাংশ জমিতে চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছি। চাষে কোন সমস্যাও হয়নি। বাজারের জিরার তুলনায় আমার উৎপাদিত জিরার সুগন্ধও ভালো। এবার আরও বেশি জমিতে চাষ করব।

স্থানীয় কৃষক একরামুল হোসেনসহ কয়েকজন জানান,এই এলাকায় প্রথম জিরা চাষ দেখলাম। গাছ অনেক ভালো হয়েছে, ফলনও ভালো। আমিও আমার জমিতে জিরা চাষ করব। খরচ তুলনামূলক কম, আবার ফলন পেতেও সময় কম লাগে এটা আমাদের জন্য লাভজনক হতে পারে।

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, উন্নতমানের বীজ সংগ্রহ ও সঠিক পরিচর্যার কারণে এই ফলন সম্ভব হয়েছে। কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আমি ওই জমি পরিদর্শন করেছি। কোন সমস্যাও হয়নি। তাই তাকে আবারও জিরা চাষের কথা বলেছি। এরপরে পরিস্থিতি দেখে কিভাবে এর চাষ ছড়িয়ে দেয়া যায় তার ব্যবস্থা নেয়া হবে।এরপরেও এই জিরা চাষে সবসময় কৃষককে সহযোহিগতা ও পরামর্শ দিচ্ছি। আগামীতে এ ধরনের চাষ বাড়লে মসলা ফসলের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। যা কৃষকদের জন্য লাভজনক হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here