ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ঈদের দিন চিকিৎসক না থাকার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার বিকেলে হাসপাতালে গিয়ে বিভিন্ন রোগী ও তাদের স্বজনরা এমন অভিযোগ করেন। জরুরি সেবা পেতে দেরি হওয়ায় উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা গেছে রোগী ও স্বজনদের মাঝে।
ভুক্তভোগী এক রোগীর স্বজন জুয়েল বলেন, ‘সকাল থেকে হাসপাতালে আছি, কিন্তু এখনো কোনো ডাক্তার দেখাতে পারিনি। ঈদের দিন বলে কি আমরা চিকিৎসা পাবো না?’
আরেকজন রোগীর স্বজন লুবনা আক্তার জানান, ‘আমার মেয়ে অনেক অসুস্থ। বারবার খোঁজ নেওয়ার পরও ডাক্তার আসেননি। আমরা খুব আতঙ্কে আছি।’ এক শিশু রোগীর পিতা তানভীর হাসান বলেন, ‘উৎসব সবার জন্য হলেও অসুস্থ মানুষের তো ছুটি নেই। কিন্তু চিকিৎসক না থাকলে আমরা যাব কোথায়?’
আরেকজন স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জরুরি বিভাগে এসেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ডাক্তার না থাকায় কী করব বুঝতে পারছি না।’
ঠাকুরগাঁও কালিতলা এলাকা থেকে শিশু সন্তান নিয়ে হাসপাতালে আসা লিজা আক্তার বলেন, গতকাল রাতে এসেছি। আমার সন্তান খুবই অসুস্থ। তবে ঈদের দিন বিকাল পর্যন্ত কোনো ডাক্তারের দেখা পাইনি।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. জয়ন্ত সাহা বলেন, ‘আমরা সব ওয়ার্ডে ডাক্তার পাঠিয়েছি। এক্ষেত্রে শিশু ওয়ার্ডে এমনিতে ডাক্তার কম। একজন দ্বায়িত্বে আছে। তার যাওয়ার কথা। আমি দ্রুতই তার সঙ্গে কথা বলব। যদি না গিয়ে থাকে, তাহলে তাকে বলব, যেন আজকে একবার অন্তত রাউন্ডে যায়।’
এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহা. ফিরোজ জামান জুয়েল অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ওয়ার্ডে রাউন্ডের জন্য দায়িত্বরত ডাক্তার রয়েছে। কেউ ডাক্তারের দেখা না পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

