ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের আশঙ্কায় ইসরায়েলের সমস্ত অস্ত্র রপ্তানি চুক্তি স্থগিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের বেসরকারি সংস্থাগুলির (এনজিও) একটি জোট।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে জোটের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য ইসরায়েলে প্রায় ৩৫০টি অস্ত্র রপ্তানি লাইসেন্সের মধ্যে মাত্র ৩০টি স্থগিত করেছে। যা মোট লাইসেন্সের মাত্র ৮ শতাংশ। তবে নতুন করে অস্ত্র বিক্রি শুরু হলে দেশটি আবারও গণহত্যা চালাতে পারে।
এর আগে যুক্তরাজ্যের ব্যবসায় সচিব পিটার কাইল ‘টেকসই শান্তি’ প্রতিষ্ঠার জন্য আবারও অস্ত্র রপ্তানি শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন। এসন মন্তব্যের পর অস্ত্র চুক্তির স্থগিত করার বিষয়টিকে ‘বাস্তবতা থেকে ‘সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন’ বলে উল্লেখ করেন।
গত বছর ইসরায়েলের কাছে ৩৫০টি অস্ত্র রপ্তানি লাইসেন্সের মধ্যে ৩০টি লাইসেন্স স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। এই অস্ত্রগুলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের গুরুতর লঙ্ঘনে ব্যবহৃত হতে পারে বলেই এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য।
তারা বলেছে,ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড ‘শান্তির প্রতি সম্পূর্ণ অবজ্ঞা’ প্রদর্শন করে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের গণহত্যার ধারাবাহিকতাকে প্রতিনিধিত্ব করে, যা অস্ত্র রপ্তানি পুনরায় চালু করার যেকোনো পদক্ষেপকে নৈতিকভাবে অপ্রতিরোধ্য করে তোলে।
বেসরকারি সংস্থাগুলির (এনজিও) জোটটি সতর্ক দিয়ে বলেছেন, অস্ত্র বিক্রি শুরু হলে ইসরায়েল জবাবদিহিতা থেকে রক্ষা করবে এবং একই সাথে যুক্তরাজ্যের ‘আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখার দুর্বল প্রতিশ্রুতি’ উঠে আসবে।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

