ইসরায়েলের একটি প্রতিরক্ষা কোম্পানিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে সৌদি আরবে অবস্থানরত একটি মার্কিন নজরদারি বিমানেও আঘাত হানার কথা জানিয়েছে তারা।
ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশটির সেনাবাহিনী ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ প্রতিষ্ঠান (ইসরায়েল এয়ারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ—আইএআই) লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই হামলা চালানো হয় তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানঘাঁটির আশপাশের আকাশসীমা এলাকায়।
একই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত একটি মার্কিন নজরদারি বিমানকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে।
তবে হামলার প্রকৃতি বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এ বিষয়ে এখনো ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির জবাবে ইরান আবারও কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, হরমুজ প্রণালি এখনো পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি, তবে এটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিরাপদ চলাচল অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে কয়েকটি কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে—হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া, ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি-তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা, এবং যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব থাকা আঞ্চলিক কোম্পানিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা।

