ইসরায়েলি জাহাজ-কমান্ড সেন্টার-ড্রোন কারখানায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

0
ইসরায়েলি জাহাজ-কমান্ড সেন্টার-ড্রোন কারখানায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ফোর’-এর ৯৮তম দফায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন কমান্ড সেন্টার, লজিস্টিক হাব এবং সামরিক-শিল্প অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে।

আজ সোমবার এক বিবৃতিতে আইআরজিসি’র জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, এই সমন্বিত অভিযানের প্রথম পর্যায়ে তাদের নৌবাহিনী একটি ক্রুজ মিসাইলের সাহায্যে ইসরায়েলি মালিকানাধীন কন্টেইনার জাহাজ এসডিএন সেভেন-এ নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে। একই সময়ে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তেল আবিবের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চল, হাইফার কৌশলগত স্থাপনা, বিয়ারশেবার রাসায়নিক কারখানা এবং পেটাহ তিকভাতে ইসরায়েলি বাহিনীর একটি সমাবেশস্থলে সফলভাবে আঘাত হানে।

ইরানের এই এলিট বাহিনী আরও দাবি করেছে, ৫০০০-এর বেশি নৌসেনা ও মেরিন বহনকারী মার্কিন উভচর হেলিকপ্টার ক্যারিয়ার এলএইচএ সেভেন তাদের হামলার মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের গভীরে অবস্থান করছে। 

অভিযানের অন্য একটি পর্যায়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের যৌথ ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে মোতায়েন করা বেশ কিছু সামরিক বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান।

আইআরজিসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের নৌবাহিনী পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচল কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং শত্রুপক্ষের যেকোনো উসকানিমূলক তৎপরতার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কমান্ডার নিহত হওয়ার পর এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। সেই আগ্রাসনের পাল্টা জবাবে ইরান এখন পর্যন্ত ৯৮ দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে এই প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালী দিয়ে আগ্রাসক দেশগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল তেল ও গ্যাস ট্যাঙ্কার চলাচল বন্ধ রেখেছে।

সূত্র: প্রেস টিভি 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here