মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের আজ ১৩তম দিন। নিহতের সংখ্যা প্রায় ২,০০০, যার মধ্যে ১৭৫ জন ইরানি স্কুলশিক্ষার্থী এবং ৭ জন মার্কিন সেনা রয়েছেন। অন্তত ১৪০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, কেউ কেউ আশঙ্কাজনক অবস্থায়।
এই যুদ্ধের কারণে আমেরিকায় জ্বালানি তেলের দাম চরমভাবে বেড়ে গেছে, যার ফলে দরিদ্র ও শ্রমজীবী জনগণের ওপর চাপ বাড়ছে। শুধুমাত্র যুদ্ধের জন্য প্রতিদিন খরচ হচ্ছে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার। এই খরচ ব্যবহার করা যেত আমেরিকান জনগণের স্বাস্থ্যসেবা, সাশ্রয়ী আবাসন, শিশু ও বয়স্কদের যত্ন এবং স্কুল উন্নয়নে।
দেশটির সাবেক শ্রম সচিব রবার্ট রাইখের মতে, ওভাল অফিসে বসা প্রেসিডেন্টের কোনো বিজয় পরিকল্পনা নেই। এককভাবে তিনি যুদ্ধ শুরু করেছেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ও মিত্রদের সমর্থন ছাড়া। এই স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ প্রাণহানি, জ্বালানি সংকট, রাজকোষ খালি এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদের বৃদ্ধি ঘটছে।
রাইখের পরামর্শ, এই ধ্বংসলীলার মোকাবিলার একমাত্র উপায় হলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা। দেশটিতে আগামী ২৮ মার্চ ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বিক্ষোভের মাধ্যমে জনগণ রাজপথে নামবে। এছাড়া নির্বাচনী ব্যবস্থায় সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে কংগ্রেসে সেই নেতাদের ক্ষমতা কমানো হবে যারা এই স্বৈরশাসককে সমর্থন দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, একই সঙ্গে কমিউনিটি, অভিবাসী বন্ধু ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে রাষ্ট্রীয় স্বৈরাচার থেকে রক্ষা করতে হবে। যুদ্ধের ধ্বংসলীলার মোকাবিলা মূলত গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার মধ্যেই।
মূল লেখকঃ রবার্ট রাইখ

